মায়ার স্মৃতি
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট

আপনজন যখন খবরদারী করে , বেশ ভালো লাগে অন্তরেতে ,
মনে হয় জীবনের সব সুখগুলি নেমে আসে ঊর্ধ্বলোক হতে ।
অসময়ে বসে থাকা দেখলেই যখন বলে সে চিৎকারে মেরে ,
এই তুমি অসময়ে কেন বসে আছো নাওয়া খাওয়া ছেড়ে ?
এই যাও , শীঘ্রই যাও, একদম ভাল্লাগছে না তোমার ওসব ,
শুনেই বুকটা শীতল হয়ে যায়, নব্য মমতা ফের করে প্রসব ।
এতো মমতা তখন আসে যে দরিয়াতেও বুঝি তাহা ধরবেনা ,
সব উজাড় করে ভালোবাসা দিলেও বুঝি মন তখন ভরবেনা ।

এই মায়া মমতা গুলি আছে বলেই পৃথিবী ছাড়তে চায়না মন ,
নয়ন বেয়ে সলিল ঝরে দেখলে কারো কালে অকালে মরণ ।
মরণের নাই কোন মায়া মমতা , যারে তারে করে আঘাত ,
জীবনের ওই মায়া মমতা আছে বলেই সয়ে যায় প্রতিঘাত ।
জীবন - মরণ দুটো দুই প্রান্তে , মাঝামাঝি সে মায়া মমতা ,
মরণের কাছে জীবনটা এসে জানায় বিনয়ে আপন অক্ষমতা ।
অথচ এই জীবনের দাম এই জগতে কেউ পারেনি দিতে ,
সেখানে মরণ এসে বিনামূল্যে হুমকি দেয় জীবন কেড়ে নিতে ।
শুধু নয় হুমকি , ছিনিয়ে নেয় জীবন অমানবিক পাশবিকে ,
কান্নার রোল দেয় সে উপহার প্রকৃতির চতুর্দিকে ।

জীবন মরণের খেলা যবে শেষ... প্রকৃতি নিভৃতে তারে ডাকে ,
কিছু কাল পেরিয়ে গেলে কেবা আর তারে মন মন্দিরে রাখে ।
মায়া মমতাগুলি আকাশে বাতাসে তখন বেড়ায় উড়ে উড়ে ,
যেথায় থাকুক মাঝে মাঝে সে ক্ষণিকা হয়ে আসে হৃদে ঘুরে ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026