ধূলিকণা
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
রাখালের বেস বয়সেতে কাঁচা নিকুরা পথের পথিক ,
দখিণা বায় যেদিকেতে যায় সেদিকই তার চলার দিক ।
মনে যাহা চায় তাহাই গায় সুরে সুরে, তবু যেন আনমনায় ,
যেপথ ধরে চলে পদের ঘায়ে পুরোপথ উম্মাদ যেন ধূলিকণায় ।
রুক্ষ কেশ তার, জট লাগা তাতে, থোপে থোপে বিদ্যমান ,
জলাভাবে রুক্ষ অধর শূন্যে আরতিতে করে যেন কিছু সন্ধান ।
রুষ্ট চাহনি কম্পমান গ্রীবা দমে দমে যেন কিছু বলতে চায় ,
যেন আছে চাওয়া কিছু, ভীতু তায় হয়না বলা, ভাসে সব শূন্যতায় ।
কত জনের আনাগোনা! কারো নজরই যেন পড়েনা তার প্রতি ,
মুখে নীতিকথা, চলছে গুজরাটে, চোখে যেন নেই কারো জ্যোতি ।
সবাই যেন ভাবে তারে, পথের মানুষ পথের ধারে, পথই আস্তানা ,
বিবেকে কারো জাগেনা সাড়া , সে কি সর্বহারা? সবাই যেন আস্ত কানা ।
এমন করেই পথের ধূলি বাতাসেতে যায়গো উড়ি, রাখেনা কেউ খবর ,
কিবা সে পায় ঠিকানা, মেঘের সনে আস্তানা, লোনাজলে হয় তার কবর ।
ওড়ে যেন কানামাছি, হাহাকারে মরি বাঁচি, সর্বাঙ্গ স্নানিত লোনা আঁখিজলে ,
কোথা তার জন্মস্থান কোথাবা বাসস্থান, এলো কোত্থেকে, কোথাবা যাবে চলে ?
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।