প্রতিবাদ
- প্রবীর রায়

বৃষ্টি কণার প্রতিটি ফোঁটা,রয়েছে মোর চিত্তে গাঁথা,
বর্ষাতে দুখিনীর আলয়ে নেই একটিও ছাতা,
অপরাহ্ণে অস্থায়মান হইতেছে রবি,
অশ্রুসিক্ত নয়নে হেরি বৃষ্টি ভেজা প্রকৃতির নিস্তব্ধ ছবি।
এখনো আমার মনে বিঁধেছে ব্যথার উপস্থিতি,
প্রত্যেক নিভৃত ক্ষণে ব্যথা জাগায় যথারীতি,
নির্ভয়ে উপেক্ষা করি জঠরের নিঃশব্দ ভ্রুকুটি,
নিদ্রা ঘোরে শুধু বারে-বারে ফিরে উঠি।
এখনো আমার প্রাণের স্তরে-স্তরে,হেরি সকল দীনের ঘর হাহাকার করে,
যদিও আকালের দিবস,আহারাভাবে থাকে উপবাস,
পরিষ্কার নির্মল হৃদে নিয়ত কঠিন দীর্ঘশাস।
দেবতার কাছে মাগি আমি উজ্জ্বল পথের দিশা,
ঈশ্বর সঁপিলেন মোরে বিষম আগামীর খণ্ড শীশা।
চারিদিকে চেয়ে দেখি বদমায়েশ আর গুণ্ডা আখড়া দিয়ে,
পারবে কি চলতে কষ্টজাল থেকে আপন প্রাণ বাঁচিয়ে,
সমাজের অর্থশালী ব্যক্তিরা এক একজন শক্ত পাষাণ,
এরমাঝে তুই এগোবি দেবশিশু পাড়িদে অভিযান।
নিন্দাবাদের তরে আজ জানিয়ে প্রতিবাদ,রহিতে নারি দেখে দীনজনের অপমান,
এর লাগে হাসিমুখে যদি দিতে হয় জান,করবি তুই তাদের জন্য একজীবন কুরবান,
মন্দির আর মসজিদ ওই শয়তানদের মন্ত্রণাগার,অতঃপর
তারা ছড়িয়ে প্রজারে করছে প্রহার,
পরাধীনতার তরে তুই করবি লড়াই নব-বিপ্লব-ঘোড়সওয়ারি,জয়ধ্বনির শাঁখ বাজে দুর্জনেরা হচ্ছে হুঁশিয়ারি।
যতই বারুক নাকেন জহ্লাদের ভণ্ডামি,করুক নাকেন অপবাদ,
এক্ষণ হতে দেশবাসীরা করছে শপথ,করিবো মোরা সবের প্রতিবাদ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

২৫-০৮-২০১৭ ১০:১৯ মিঃ

হে গরীব দুখিরা তোমাদেরও অধিকার সমান এ ধরাতে তাই অধিকার ছিনিয়ে নিতে কভু পিছু হটবেনা আজ এই পণ নাও যে সদা প্রতিবাদ করে যাবে মৃত্যুকে ভয় পাবেনা।