বেশ্যা
- প্রবীর রায়

আমি বেশ্যা, কে বলেছে,লেখা আছে কি কপালে?
নই বেশ্যা, বানিয়েছ তোমরা, ঢেলেছো ঘোলা জলে।
আমি নাযুক শিশু, লাজুক মেয়ে,চোখে স্বপ্ন শত ছিলো,
লোভী সমাজ আয়েশ 'কামের লোভে,আমায় পথে নগ্ন করিল।
নিস্তেজ দেহ, যৌবন রসে ভরেছে,ক্ষুধার্ত হিংস্র চোখে,
আমি কাঁদি ছটফটায়, দেখে সকলে,লাথ মারে তবু কোকে।
মাংশ ছিরে খায় কামড়ে আঁচড়ে, ক্ষত বিক্ষত দেহ,
ধর্ষণে চিৎকার শাস্তি, অসহ্য কষ্ট,বোঝেনা মূক সমাজের কেহ।
পেট করে বাবু টাকা দিয়ে বলে,ফেলেদে ব্যাটারে ডাস্টবিনে,
লাওয়ারিশ বীজ ফুটপাতের কীট, কুকার্যে রত নিত্য দিনে।
কখনোবা সমাজ নিজ মেয়েরো,বস্ত্র করে উলঙ্গ,
টাকার লোভেতে পিতৃ পরিচয়, গুপ্তে করে ভঙ্গ।
ঘৃণ্য জগতে সংসার লাগে,ইজ্জত করি বিক্রি,
পঞ্চাশ একশো টাকার ফাঁদে,বেশ্যায় পেয়েছি ডিগ্রী।
আমি অসহায় পরাধীন বন্দী, বুঝিনা তার স্বাদ,
মৃত্যু পাই দুষ্কার্যে পিছোলে,যদি করি প্রতিবাদ।
বেশ্যা নামটি ছিলনা পরিচয়ে,ডাকো তোমরা তা বলে,
সমাজে সাধুমুখ আড়ালে প্রলোভন, ক্ষমতাই ছুপায়ে চলে।।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।