বাণচ্যুত
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
সর্ব জনের চেতনা রহে , বহে ধরণীর সর্ব স্থানে ,
মূল চেতনার কবর দিয়ে শোনে ভৈরবী দুই কানে ।
ভ্রষ্ট পথের দিশারী সেজে বক্ষে রাখে পিণাক দাগ ,
রক্তের 'পরে অনল জ্বালায়ে ললাটে রাখে সিঁদুর-ফাগ ।
যেথা পথ ছিল একক সরলরেখা ,
মিলিছে সেথা অগণিত পথ দেখা ।
তবু মুখে শুনি কাণ্ডারির গীত বাদ্যের তালে বজ্রকণ্ঠে ,
নিশীথে মিশে নাদান গুলো কুড়িয়েছে শুধু লবঘন্টে ।
আলোকে তারা আলো দেখেনা, ভাবে আলেয়ার ছটা ,
কীর্তনের হরিবোল শুনেছি, যেথা আঁধারের ঘনঘটা ।
ছিল যেথা একক নির্ভেজাল দলিল ,
ফুলের মতো শুচি , নির্মল সাবলীল ।
মানেনি কেহ ভুলেছে মায়াস্নেহ রাখেনি কেহ পবিত্রতা,
শিখেনি কেহ আদব আখলাক শিখেনি কায়দা ভদ্রতা ।
শিখেছে শুধু হানাহানি লুটতরাজ সন্ত্রাসী রাহাজানি ,
দেখিনা ভাবের অভাব চৌদ্দ পুরুষ যেন ছিল খানদানী ।
কোরআন রাখিছে মাইল দূরে ,
মসজিদ মন্দির চলে খুঁড়ে খুঁড়ে ।
নিশি জাগি নিদ্রা ফেলি ছুটে চলে ত্বরা গলাকাটা কাজে ,
করে যায় খুন ভাবি সস্তা নুন লাশের 'পরে সেঁতারা বাজে ।
বিনিময়ে দেখেছি তারা আজন্মের স্বার্থের ফায়দা লোটে ,
দেখেছি লালা ঝরা বদনের রসালো জিহ্বা আর ঠোঁটে ।
লাল লাল দেখেছি দুইটা নয়ন ,
যেন শিয়াল শকুনের প্রজনন ।
পুরোই সর্বহারা পুরোই উম্মাদ খাসা বাঙলায় বাণচ্যুত ,
দেবতার দূত হয়ে আসি তারা সাজিছে ইবলিশের সুত ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।