ব্যস্ততার প্রহরী
- সোহরাব হোসেন - ষোড়শী কাব্যমালা

ব্যাস্ত তোমার অষ্ট প্রহর এ আমাকে ঘিরে,
ভালোই আছি ভীষণ বেশি সুখের এ নীড়ে।
দুঃখ যতো হইলো ফানুস, উড়ছে গগণে।
কত কথাই যাও যে বলে তুমি আনমনে।
মিষ্টি যত সৃষ্টি মোদের এ পানসে রসে,
খাঁটি অতি খুঁনসুটি সব বিষম বরষে।
অন্তরের অন্দরে হৃদয় রেখেছ জড়িয়ে।
তোমার মাঝে হারিয়ে আর খুঁজিনা নিজেরে।
এতো কাছে এসেছো সবই রইলো সুদূরে,
যতনে রেখো বন্দী তোমার হৃদয় বাসরে।

মায়ার বাঁধন ঘোরে, হই ভেবে দিশেহারা—
রইবো কীভাবে এ ব্যস্ততা যদি হয় সারা?
শূণ্য হবে পূর্ণ হৃদয়, না রইবে উপায়—
তুমি বিনে নিজেকে পাওয়া, হবে বড় দায়।
মন প্রহরী পাহারা দেই তাই অণুক্ষণ,
মনে তোমার কিছুতে যেন না লাগে গ্রহণ।


সোমবার, চৌদ্দগ্রাম
০১ জানুয়ারি, ২০১৮ ইং।

#কবিতা_রবিন


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

১৪-০১-২০১৮ ২৩:৪৬ মিঃ

আমার তৃতীয় ষোড়শী কবিতা!

১০ পদ + ৬ পদ = ১৬ পদ প্রতিটি চরণে

এভাবেই ১০ চরণ + ৬ চরণ = সর্বমোট ১৬ চরেণর (লাইন) কবিতা

প্রথম ১০ চরণে উপস্থাপনা, শেষ ৬ চরণে নিবেদন, এভাবেই হয়েছিল ষোড়শীর স্থাপত্য নকশা।