মার চোখের জ্যোতি
- প্রবীর রায়
আমি জ্ঞানহারা-বিকলাঙ্গ, তোমরা বল
আমায় পাগলা,কেন ? তাতে আমার কি দোষ ?
বা আমার পিতামাতারই কি অপরাধ ? তারাতো
আশায় ছিল অপেক্ষার ফল ভাল হবে-সুস্থ হবে
ঠিক তাদেরই মতো,এই ভেবে আমাকে সহবাসে
সৃষ্টি করলো উভয়ের কামরস,প্রতিটি রাত্রের ব্যথা
সহ্য করলো আমার মা, নিজ গর্ভের রক্ত নাভিতে,
যদি জানতো যে আমি বধির হবো তবে কি তারা
আমায় পৃথিবীতে আনতো,না-কখনোই নই,তাদের
অজান্তেই আমি সৃষ্টি,আজ আমি ঘর বন্দী,আমার
খেলার সাথী নেই !নেই কোন বন্ধুবান্ধব-আমি একা,
যেন এই খোলা পৃথিবীটাই আমার সব,আমার প্রতি
তার চাহিদাও দেখি,কিন্তু সমাজ আমাকে ঘৃণা করে
অবজ্ঞা করে,কেন আমাকে তাদের মাঝে মিশতে দেয়না,
আমি কি খারাপ ? কেউ আবার আমাকে পাগলা গারদে
পাঠাতে মরিয়া,আমি শুধু সবার মুখের দিকে চেয়ে থাকি,
একটা মুখো বা একটা হাতো আমাকে সাহারা দেয়না
স্পর্শ করেনা-স্নেহ-প্রেম দেয়না,কিন্তু মা সবার থেকে আলাদা,লাখো কষ্ট-দুঃখ-লাঞ্ছনা সয়ে মা আমাকে বুকে
টেনে নেয়,আদর দেয় যার জন্য আমি ক্ষুধার্ত, তাছারা
মা আমাকে কখনো একলা রাখেনা,তার কাছে আমিই
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ছেলে,তার চোখের জ্যোতি।।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।