রামকৃষ্ণ গাঁথা
- প্রবীর রায়

বঙ্গ ভূমির সাধক
ঋষি-দার্শনিক-ধর্মগুরু
কেহ বলে তপঃ
মতাদর্শে পথ শুরু
তব বাণী সত্যম-শিবম-সুন্দরম
নবজাগরণ-এ ধর্মের মিলন
যুগাবতার-প্রেম সারথি
একতা মিল-ই কর্ম সাধন
দক্ষিণেশ্বর কালিবাড়ির
ভক্ত প্রেম পূজারী
কল্পতরু ভারত বুকে
ধন্য জন্মে তারি
দরিদ্র ঘরের জ্যোতি প্রভু
সর্ব প্রিয় গদাই
ক্ষুদিরাম-চন্দ্রামনি পুণ্যে
গর্ভস্থ দেবদূত ঠাঁই
অঙ্কন-মাটি প্রতিমা গঠনে
ছিল সম দক্ষতা
প্রতিটি কোষে প্রতিভা দ্বীপ
পরিপূর্ণ পক্কতা
ধ্যান মগ্ন -মহাজ্ঞানী
পাষাণ -প্রতিমা দর্শক
ঈশ্বর প্রেমে ব্যাকুল চিত্ত
উন্মাদনার স্পর্শক
বিবাহ সূত্র বাঁধিলেন তিনি
মা সারদা সহিত
রামকৃষ্ণ নাম জানিলো সবে
বঙ্গবাসী মোহিত
অস্পৃশ্য-ভেদ ঘোচাতে
মানবে স্নেহ-শ্রদ্ধা
টাকাই মাটি-মাটিই টাকা
গান সাহসী যোদ্ধা
অ্যাধ্যাত্মিক ভাব-দিব্য প্রেমে
মগ্ন সাধক বামা
বিবেক এসে ভক্ত হন
শিষ্য করিলেন রামা
ভৈরবী মতে কুমারী পূজা
তন্ত্রে মন্ত্রে পারদর্শী
নাস্তিক-আস্তিক সকল শিষ্য
পরমহংসের মার্গ স্পর্শী
তব শ্রদ্ধায় শিষ্য নরেন
গড়েন রামকৃষ্ণ মিশন
বেলুর মঠ তব চরণে-
অর্পিত,ভক্ত মানবগণ
সর্ব ধর্ম সমন্বয়ে
শিকাগোর সভা আলোড়ন
বিবেক জানান অমৃত বাণী
পালটে ভণ্ড মন
তোমার গাঁথা মানব হৃদে
প্রণাম তব চরণে ঝুকে।।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।