বান্দরখেলা
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
ঘর হইতে শুনি টুমটুমির আওয়াজ
বুঝি বান্দরওয়ালা আসিয়াছে আজ
... ... ... ... ... হবে খেলা বান্দরের মন হরষিত ,
কৌশলে মায়ের চোখটি দিয়ে ফাঁকি
একঘটি চাল লয়ে তফনেতে ঢাকি
... ... ... ... হাজির হইলাম শেষে মন সরসিত ।
একে একে জন দশেক আনিল চাল
করিল সে খেলা শুরু থামিয়া ক্যাচাল
... ... ... ... হালিয়া দুলিয়া বান্দর যায় শ্বশুরঘরে ,
ষষ্ঠহাত উঁচুতে সে লাঠিখানা ধরিলে
এক লম্ফে পার হইয়া মাটিতে পড়িলে
... ... ... ... সকাতরে মনিবের সে পা'খানা ধরে ।
মনিবের ঝাণ্ডা সে পাইলে দেয় হাঁচি
রাঙা চোখ দেখিয়া সে করে নাচানাচি
... ... ... ... যদিও নয়নে তার টলমল করে জল ,
যত প্রকার খেলা সে শিখিয়াছে তারে
সব খেলা শেষ করি অতঃপর সে ছাড়ে
... ... ... ... বুঝিল'না লোকে ওই অশ্রু আসল নকল ।
আড়ালে ডাকিয়া আমি বলি মনিবেরে
বান্দর আসিল মোরে কামড়াতে তেড়ে
... ... ... ... মনিব সে লগণে দিলো এক ধমক ,
এতো খেলা কেমনে শিখল অবলা'জাতি
অনাহারে রাখিয়া সে দিতো নাকি লাথি
... ... ... ... সে লগনেই শুরু হতো হরেক চমক ।
আমার রাজ্যে রাজাবৃন্দ বান্দরওয়ালার মতো
অভাবী আর অনাদরি মানব পাইয়া যত
... ... ... ... নাকেতে লাগায় তারা ভাতের নাকল ,
সময়ে অসময়ে দেয় তারা কষে টান
পাইয়া যায় বান্দরের চিরাচরিত সন্ধান
... ... ... ... তাহাদের দ্বারাতেই রাজ্যটা করে দখল ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।