হাসিল দুখিনী কাঁদিল মহাশয়
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
ল্যাবরা কাঁদিয়া কহে :জ্যাবরা মহাশয় ,
এ কপালে আমার কেন এতো কষ্ট হয় ?
স্মরণে আসে না আমার কশ্মিন কালে ,
অন্যায় করেছি কারো , অসুরের তালে ।
যতই থাকিনু ভালো , এই ধরণী তলে ,
ঝুলিলো কষ্ট শুধুই, আমার এই গলে ।
জ্যাবরা হাসিয়া কহে শোন ল্যাবরা ভাই ,
এ ধরায় কশ্মিন কালেও সাধুর সুখ নাই ।
সুখ সব ভর করে, জঙলার চরণ তলে ,
সুখ সদায় দেখে শুধু, বড় কার থলে ।
যার থলে বড় বড়, সুখের হেথায় বাস ,
যার নাই থলে মলে ,ভালে তার সর্বনাশ ।
দেখো'না সাগর ওই কত উদার নির্যাস ,
বেদনার নীল রঙ তাহাতেই করে বাস ।
দেখো ওই আকাশ পানে নয়ন'টা তুলে ,
যত বেদনা ধরায় আছে, সব আছে ঝুলে ।
সবুজ রঙ'টা জানি সুখের প্রতীক হয় ,
হিংসুটে পাহাড়ে তাহা নিয়েছে আশ্রয় ।
দুনিয়াতে ভালো মানুষ ছিল ওই রাসূল ,
হৃদে তাঁর দুখ জ্বালা সব, ছিল মশগুল ।
ল্যাবরা সান্ত্বনা পেয়ে, হাসে ওই মুখে ,
দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে, হাত'টা রেখে বুকে ।
জ্যাবরা কাঁদিয়া কহে সুখী তুমি ভাই ,
আমার যে এতো কিছু, সুখ আমার নাই ।
শোন বলি কেন তবে, হও মনোযোগী ,
এক যুগ থেকে আমি ক্যান্সারের রোগী ।
বিধাতা সকলি দিলো, দিলনাকো সুখ ,
এই দুঃখে দিনরাত জ্বালা করে বুক ।
ল্যাবরা'র হাসি'টা আরও বড় হয়ে রয় ,
হাসিলো দুখিনী আর কাঁদিলো মহাশয় ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।