ষোড়শীকথন
- সোহরাব হোসেন - ষোড়শী কাব্যমালা
হাসতে শেখা, চলতে শেখা হাঁটি হাঁটি পা পা,
কোমল ঠোঁটে বলতে শুরু ভাঙা কাঁপা কাঁপা।
দুর্বোধ্য ভাষা আনন্দে ঠাসা নিঁখাদ প্রকাশ,
অবাধে ছুটা ব্যস্ত সময় নাই অবকাশ।
মুক্ত প্রাঙ্গণে ক্রমেই বাড়ে দল বেঁধে চলা,
মায়ের চোখ, বাঁধা গলিয়ে এবেলা ওবেলা।
খোলা প্রান্তরে দস্যি বালিকা সব একজোট,
খেলবে বৌ-চি, কি কানামাছি কিবা গোল্লাছুট।
পুতুল খেলা জাগালো তার বুকের কাঁপন,
স্বপ্ন দু'হাতে দেখবে ছুঁয়ে সোনার কাঁকন।
অন্দরে ঝড় উপচে পড়ে, ধুরু ধুরু বুক—
অজানা ভয়, অচেনা শঙ্কা হয় জাগরুক।
পড়েছ তার দু'চোখে ওই অস্ফুট পঠন?
আড় নয়নে দেখ কেবলি বাড়ন্ত গঠন!
অজস্র কুণ্ঠা বুকে লুকিয়ে হাসে প্রাণবন্ত,
মুগ্ধ হৃদয়ে তোমরা দেখ ষোড়শী বসন্ত।
পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।
২১-০৫-২০১৯ ০০:১৮ মিঃ
প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাসে ষোড়শীরা সবার নজর কাড়ে, মনও কাড়ে। ষোড়শীর জীবনচক্র নিয়ে আজকের এই ১৬তম ষোড়শী কাব্য।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।