জঙ্গলের ফুলকি
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট

জঙ্গলের অভিব্যক্তি কর্ণকুহরে আজো বাজে ,
সেদিন মরেছি আমি মরেছি এক তীব্র লাজে ।
নীচ তলার মৃত্তিকা হতে জন্ম নেওয়া তরু... ,
মৃত্তিকা হতে বেড়ে উঠলে আর থাকেনা সরু ।
ধরার আলো বাতাসে একবার বড় হয়ে গেলে ,
দুনিয়ার সবখানে অধিকার নিয়ে থাকে মেলে ।
যাহা কিছু দেখে আপনার চোখে জরায় জড়াবে ,
যাহা কিছু দেখে আপনার চোখে তুচ্ছ'ই ভাবে ।
বনলতা সেন মহাসেন হয়ে সাজে প্রলয়ংকার ,
ধরার সকলি ভাজা ভাজা করিবার দেয় হুঙ্কার ।
সৃজন করে দাবের ফুলকি অতঃপর দাবানল ,
সবুজের আগামাথা সব পুড়িয়ে করে সে উত্তল ।
পাহাড়ের বুকে লাগায় সে কলঙ্কের গাঢ় দাগ ,
তেপান্তরছাড়া করে দেয় জোনাকির গীত-রাগ ।
ধোঁয়া হয়ে আসে সে ঝর্ণার শুভ্রতায় নেমে ...,
অনলের বিভীষিকা ঝর্ণার গতি দেয় সে থেমে ।
ছড়ায় সে পৃথ্বীতলে আঁধারের ঘনঘটা নিশীথ ,
ছড়ায় সে জীবনের গতি থেমে দেওয়ার ভীত ।
আকাশের তারা তীব্র জ্যোতিতে হেসে মশগুল ,
গগণে স্থির সে তবু যেন মর্ত্য হারায় সব কূল ।
বলে তারা রহ সব রাত্রি ভরে দিবো দিবালোকে ,
বেঁচে রহি আমি তব কেন মরো শোকে শোকে ?
সব শেষ হয়ে গেলে গগণের তারা যে রহে স্থির ,
সব আলো নিভে গেলে তারা'তেই বাঁধে সবে নীড় ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026