দু'পায়া ঘোড়ার ডিম
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
ভিন দেশে জন্মেছে সকল দেশ গড়ার যন্ত্রী ,
আমার দেশে জন্ম লয়েছে মাথা ছাড়া মন্ত্রী ।
কারিগর আর মিস্ত্রীতে ভিনদেশ সকল ভরা ,
আমার দেশে জন্ম নিলো দু'পায়া সব ঘোড়া ।
এক একটা ঘোড়া শুধু ডিম পেড়ে যায় সদা ,
ডিমের ধরণ ডিমের বরণ দেখেই মরি কদা ।
স্বাধীনতার ছুতো ধরে খেলাম শুধু আলু বেগুন,
বিয়াল্লিশ বছর পরে ঘোড়া বেড়ে হইলো দ্বিগুণ ।
আজকের ঘোড়ার ডিম গুলি অনেক বড় লাগে ,
এমন বড় ডিম গুলি হায় দেখিনি আমি আগে ।
লক্ষ লক্ষ মেট্রিকটন একটা ডিমের ওজন ছিল,
সে একটা ডিমের দৈর্ঘ্য ছিল সাড়ে ছয় কিলো ।
ডিমের নাম পদ্মা সেতু ...লক্ষ হেতুর ধাওয়ায় ,
আবুল ঘোড়ার থাবায় ডিম গেল চলে হাওয়ায় ।
ঘোড়ার যে প্রসূতিমাতা বোল ছাড়িল রঙে রঙে ,
নয়া এক'ডিম জন্ম দিলো বাতাসের তিন তরঙ্গে ।
নাম সে ডিমের ডিজিটাল, নামেই গগণ ফাটে ,
অন্দরেতে কাওয়া উড়ে আর চিল শকুনে হাঁটে ।
পুরো রাজ্য শ্মশানতলি বিচরণ করে সব ভূত ,
চব্বিশ ঘন্টার তেইশ ঘন্টা'ই থাকে না যে বিদ্যুৎ ।
কি লিখিবো কাব্য আমি রূপকথার রস খুঁটেখুঁটে ,
বাস্তবতার হাত ধরিয়া প্রাণ'টা যায় অথৈয়ে লুটে ।
তবুও বলি ভালোই আছি জন্মদাত্রী জননীর বুকে ,
ভিন দেশেতে থাকতে গেলে থাকতে হয় যে লুকে ।
যে যাই বলুক যে যাই করুক আপন মতে করে ,
আপন মায়ের বুকে থাকলে হৃদয় থাকে যে ভরে ।
নাইবা থাকলো ঘরের শোভা কিম্বা দুয়ার-আগল ,
পথের মাঝে থাকলেও শুয়ে ...বুকটা থাকে সবল ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।