পোড়া লাশ
- মেসুত ফেরদৌস শুভ

মা তুমি আমায় চিনতে পারবেতো?
এই রাস্ট্রের কাছে আমি অবহেলিত!!!!!
না আছে আমার জীবনের নিরাপত্তা
না আছে আমার বেচে থাকার অধিকার।।।।।
.
রাস্ট্রের কাছে আমি এক বিশাল বোঝা
একে এক করে পুড়িয়ে মেরে কি লাভ
দায় এড়িয়ে গিয়ে বলে দিলেইতো হয়
ব্যার্থ আমরা রাস্ট্রের শাসকগন
আত্নহত্যার পথ বেছে নাও তোমরা।।।।।।
.
সেই নিমতলি থেকে চকবাজার হয়ে বনানী
পোড়া লাশের গন্ধ যেতে না যেতেই
বিভৎস চেহারা।।।।।।
বাচার জন্য আকুতি মিনতি
চার দেয়ালের মাঝে কান্নার স্রোত বয়ে যাওয়া
স্বজনদের বুক ফাটা আর্তনাদ।।।।।।।
.
স্বপ্নরা তিলেতিলে দগ্ধ হয় লেলিহান শিখায়।।।
এইতো কিছুদিন আগে পোড়া লাশ না পেয়ে
সন্তানের মাংস ভিক্ষা চাওয়া মায়ের আহাজারি।।।
আর কত????
বলতে পারো মা??????
নাকি এই সভ্যতা লাশের উপর প্রতিষ্ঠিত???
সভ্যতার চুলায় জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়
আগুনে ঝলসে যাওয়া লাশগুলো
ছাই গুলো চাপা পড়ে যায়
আবর্জনার অন্তরালে।।।।
.
ঠিক তার কিছুক্ষণ পরেই
রাস্ট্র বিশাল এক শোক বার্তা জানিয়ে শেষ করে তার দায়িত্ব।।।।।
মা এভাবেই যদি চলতে থাকে
তাহলে তুমিও নিশ্চিত থাকো
কোন একদিন হাজারো পোড়া লাশের ভীড়ে খুজতে হবে আমাকে।।।
আশ্চর্য হওয়ার কিচ্ছুই নেই মা!!!!!!!!
আমি দেখে এসেছি পিছনের পোড়া লাশের ইতিহাস
আমি একটুও বিচলিত নই।।।।।।
বরং খুব কষ্ট হচ্ছে মা
এই কথা ভেবে
আগুনে ঝলসানো আমার চেহারা দেখে
মা!!!!!
তুমি আমায় চিনতে পারবেতো???????


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।