বটবৃক্ষের গুণ
- মোঃ নাসির উদ্দীন - চেতনা কাব্য
শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে স্তম্ভমূলের ভর
বসন্ত ও শরৎ ক্ষণ নতুন পালক গজানোর
পাখিরা ফল খেয়ে বীজ ছড়িয়ে দেয়,
পাখিবাহিত বীজ দালানের কার্নিশ, পুরানো দালানের ফাটল সহজেই অঙ্কুরিত হয় ।
বটের আঠা পা ফাটা সারায়,
বটের ছাল দেহের মেদ কমায়।
হাড় মচকে ছাল ও কুষ্ঠরোগের উপকার,
বট ফল কাক, শালিক ও বাদুড়ের আহার।
বটবৃক্ষের ছায়ায় হাট-বাজার বসে,
মেলা, লোকগানের আসর, জনসভা বসে।
সরু সরু ঝুরি হিসবে বাতাসে ঝোলে,
প্রেথিত হলে স্তম্ভমূলের মাটির কোলে।
আবার জমবে মেলা বটতলা হাটখোলা অঘ্রাণে নবান্নের উৎসবে...’
গ্রামীণ জীবনের কেন্দ্রবিন্দু এবং গ্রামসভা এই গাছের ছায়াতেই বসে।
গ্রীষ্মের দুপুরে কৃষক যখন হাঁসফাঁস মাস্তি
প্রকৃতির বটগাছই তাদের দিত স্বস্তি।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।