আমার বাসস্থানের হাটা চলা-১
- ইকবাল হোসেন বাল্মীকি - অদ্য পুরাণ (অপ্রকাশিত কাব্য)

আমি চা পান করতাম দিনে দশ কাপ
এক দিন দেখি চায়ের চিনি গুলো প্লোটনিয়ামের গুড়ায় মাখা মাখি
তখন বেহেশত থেকে বন্য-বাতাস দমকা তালে আমায় বিয়ে করে ফেলে
দুজখের চিঠি খুলে মাইক্রয়োবে রাখি।
ওক কাঠের আনারশ বলে- আজকের মতো এই তোমার প্রাতরাশ।

আমার শহরে ট্রাফিক কন্ট্রল করেন বোয়াল মাছের মতো রাজসিক পুলিস
গরম কুত্তা মুখে পুরে পাতাল টিউব ধরেন মিনিস্কাট মাসি ও মেজবোন
মেঘ গুলোকে টেনে নামায় মিথানলের পাখি।পাহাড় পায়ের নিচে গালা দিয়ে ঢাকা।
মেয়ে গুলো শনিবার শিষ মারে, দেখতে সিরামিক রসে ভরা কমলার বুনি।
উপাসনালয়ে আফ্রীকান নবিদের দখলদারি লাটিখেলা, বল্লমও বলতে পারেন।

এখানে কারো কিচ্ছু মনে রাখার প্রয়োজন নেই। কি কন্ডম কি গোলাপ।
কে কাঁকে চুমু খেলো এই নিয়ে তর্ক করে ‘পাবের’ মাতাল।
কার উপর দিয়ে গেল প্রেতাত্মার নাড়ি-ভুড়ি, কানা ঘুসা করে টেরেস হাউসের বুড়ি।
বুকের উপরে বই নিয়ে ঘুমান পার্কে জেল ফেরত খুনির অপারাধ বিশ্লেষক।
ফুটবলের টিকেট কেটে মাটে মাস্তানি করেন হুইগ আলা বিচারপতি এবং মন্ত্রীপরিষদ।

আমার শহরে মানুষের ট্যাং গুলো বিষম রখমে হাতির দাঁতের মতন শাদা শাদা
অতলান্তিকার বাতাস এই চামড়াকে সেলাই করে হররোজ, তাই এমন মেয়েলি
মহিলাদের উরুর তারিফ আছে, চেলা কাঠের আগুন উত্তাপ দেয় ব্রান্ডির বদলে।
এদের জন্যই চির মেঘলা আঁকাশ ভেঙ্গে সমতল মাট হেসে খেলে বেড়িয়ে বেড়ায়
মাটির আসমান মাটিতে পড়ে কোনোদিন ভেঙ্গে খান খান হবে না এটা নিশ্চিত।

আমার বাসস্থানের হাটা চলা-১
----------------------------


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।