বাবা
- মেসুত ফেরদৌস শুভ

জন্মের পরেই চলতে শেখা
তোমার হাতটি ধরে,
কিছু থেকেই কিছু হলেই
বুকে জড়িয়ে নিয়ে দিতে আদর করে।

আমায় রেখে জীবিকার তাগিদে
থাকতে দূরে যতো
তোমার মনের ঘরে থাকতাম আমি পড়ে
নিতে আমার খবর, ভাল আছি কতো।

শত কষ্ট যন্ত্রণা করোনি প্রকাশ
বিসর্জন দিয়েছিলে নিজের সুখ,
কোন কিছুর অভাব বুঝতে দাওনি
দেখতে আমার হাসি মুখ।

নিজে না খাইয়ে জমিয়েছো টাকা
আমি যেন মানুষের মতো মানুষ হয়ে
পারি জীবন করিতে রঙিন,
তোমার অনুপস্থিতিতে রঙিন সুতো গিয়েছে ছিড়ে
সুখগুলো দুঃখ সাগরে হয়েছে বিলীন।

লোকে নাক ছিটকে যাবে চলে
ছোটলোক ডাকবে বলে
আমাকে তুমি কিনে দাওনি পোশাক ব্র‍্যান্ডহীন সস্তায়,
খেতে তুমি কমদামি খাবার
পড়তে তুমি ছেড়া চটি পুরনো শার্ট
ভ্যানে করে বিক্রি হতো যেগুলো ফুটপাতের ঐ রাস্তায়।

আমার মুখে দেখলে হাসি
ভাল হয়ে যেতো তোমার আগুনে পোড়া ক্ষত,
এখন আমি ঠিকই বুঝি
তুমি ছিলে আমার বটবৃক্ষের মতো।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 2টি মন্তব্য এসেছে।

১৮-০৩-২০২০ ০৫:২৫ মিঃ

Excellent

১৮-০৩-২০২০ ০১:০৭ মিঃ

বাবারা এমনই হয়, বৃক্ষের ন্যায় ছায়া দিয়ে রাখে।