আজ ২১ চৈত্র ১৪২৬, রবিবার

বৃষ্টির প্রার্থনা
- এস আই তানভী

.
এক পশলা বৃষ্টি এলে
জেগে যে উঠলো সবুজ ঘাস
টিপ-টাপ শব্দ শুনে
উকি যে মারলো দীঘির মাছ।

হিমেল হাওয়ায় দেহ
দিলো যে ভীষণ শিহরণ,
প্রকৃতির বুকে যেনো
আজ চললো খুশির নাচন।

কচি-কাচা সবে মিলে
ভিজলো যেনো অথৈজলে খুব–
ছোট শিশু ঘরে বন্দি
বৃষ্টি দেখে একেবারে চুপ।

রোজ একটু বৃষ্টি এসে
ধুয়ে দিয়ে যাক আমাদের
মন-প্রাণ পাপ-ছাপ;
কষ্ট-ব্যথা আপন পরের।

হিংসা- বিদ্বেষে মানুষ
কালো থেকে কালো হয়ে আছে;
লাভ-লোকসানের কথা
ভেবে, অন্ধকারে ডুবে গেছে।

যেমন করে বর্ষণ
ধুয়ে দেয় প্রকৃতির মল,
জরাজীর্ণ বৃক্ষরাজি
সতেজ হয়; করে টলমল–

ওগো বৃষ্টি তুমি এসে
হিসেবের ঐ খাতাটা ভুলে;
আমাদের দাও ধুয়ে
তোমার পূতপবিত্র জলে...
------------------
০৬/০৩/২০২০
- এস আই তানভী

মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ
এস আই তানভী
২৩-০৩-২০২০ ১০:৪৬

প্রকৃতির রুক্ষ রূপের দিকে তাকিয়ে 'এক পশলা' বৃষ্টির কামনা করে 'বৃষ্টির প্রার্থনা' নামক কবিতাখানা লিখে থাকলেও আজ মনে প্রাণে চাচ্ছি– যদি টানা ১৫দিন অঝোর ধারায় বৃষ্টি আসতো..... তাহলে মানুষকে জোর করে হোম কোয়ারান্টাইনে পাঠাতে হতো না। ৯৫% মানুষ খেয়ে না খেয়ে এমনিতেই ঘরে থাকতো– এটা চাওয়ার একটাই কারণ, বাঙালির কানে ভালো কথা ধরে না।
গতকাল ফেসবুক একজন লিখেছেন, হোম কোয়ারান্টাইন, আইসোলোশন, লক ডাউন— এসব সভ্য কথা বাঙালি শুনবে না। পাছায় পিটুনি পড়লে সবাই ঘরে থাকবে, মানে পুরো বাংলাদেশে চাই ১৪৪ধারা। ১৪৪ধারাও না বুঝতে পারে তাই সাথে #কারফিউ শব্দটা জুড়ে দিলে কাজ আরো ভালো হবে....।'
তিনি খারাপ বলেন নি কিন্তু।

এলাকায় মাইকিং করা হয়েছিলো, সাড়ে সাতটার মধ্যে দোকানপাট, গ্যাঞ্জাম গুটিয়ে নিজ নিজ ঘরে চকে যাওয়ার জন্য। কিন্তু, পনে আটটার দিকে বোদা উপজেলার ইউএনও মহোদয় পুলিশ এনে বাজার ফাঁকা করলো। (ধন্যবাদ)