কাঁদার জন্য রাতে
- দজিয়েব

কিছু রাত আমি আলাদা করে রেখে দিই কাঁদব বলে।
সেইসব রাতে আমি সারারাত জাগি,
আয়োজন করে কাঁদি।
সকাল হলেই চোখ মুছে ফেলে ছুটি,
অফিস অফিস খেলি;
বিকেল নাগাদ স্বাভাবিক এক মানুষ আমি,
অন্য সবার মতোই-
তখন আমি আর কাঁদিনা,
আর জাগিনা,
রুমাল দিয়ে চোখ মুছিনা, ঘুমোই সারারাত।

হপ্তাখানেক কাটে ভালোই
অফিস করি সবার মতোই।
হঠাৎ করে কি যে হয়- টের পাইনা আমি-
মন খারাপের ধুম পড়ে যায়,
ঘুম হয়ে যাওয়া হাওয়া;
কাঁদবো তখন এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।

পুন্নিমা না আমাবস্যা, লগ্ন কখন খালি,
এসব দেখেই আমি তখন রাত বাছতে বসি।
শুক্র ভালো, শনির নজর, আরো হাবিজাবি
অনেক দেখেশুনে আমি রাত্রি বেছে রাখি।
দিনের বেলা অফিস করে বিকেলবেলা ফিরি,
সন্ধ্যাবেলা গোসল সেরে পানপাত্রে মজি,
সে রাতে হয় বিশেষ খাওয়া- মাটন বিরানি।
খাবার শেষে হালকা নেচে অম্নি বসি ধ্যানে
স্রষ্টা আমার মুগ্ধ হলে বুক ভেসে দি কেঁদে।
কেঁদে কেঁদে অশ্রুজলে যতোই করি স্নান
পাপমোচনে হয়ে উঠি ততোই পুণ্যবান।


-০৩.০৪.২০২০, চুকনগর।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

০৩-০৪-২০২০ ০৯:০৫ মিঃ

কমনীয় ভাবনা।   


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026