ঘেটু পুত্র কবিতা বালক।
- ইকবাল হোসেন বাল্মীকি - অদ্য পুরাণ (অপ্রকাশিত কাব্য)
ঘেটু পুত্র কবিতা বালক
------------------------------------------------------
( আমার প্রিয় কবি অ্যালান গিন্সবার্গের ‘please master’ কবিতার ছায়া অবম্বনে।
------------------------------------------------------
প্রিয় সম্পাদক সাহেব সমীপেষু-
আমি এক কবিতা বালক, কবিতা এনেছি
রাখবো কোথায়? টেবিলে?
তবে পেন্ট খুলে টেবিলতে উঠি
অন্তবাস পরিনি জানি তোমার বুকের ব্যারাম
টানা টানি হানা হানি হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
-আপনি আমার গালে চুলে চুমু খেতে পারেন
-আপনি আমার কৃষ্ণ ভ্রুতে মেহন দিতে পারেন
-আপনি আমার বস্র কাগজের মতো কাঁটতে পারেন
-আপনি আমার মুখ কঠিন বুকে পিষে দেতে পারেন
প্রিয় সম্পাদক,দয়ার সাগর-
কবিতা এনিছি দুরু দুরু বুকে হাতে লিখে
‘এম এস ওয়ার্ড’ বাজারে আসেনি, ‘ডস মুডে’ আছেন
কবিতা কোথায় রাখি- পায়ে?
আহা আপনার পা, কেমন যেনো গোবিন্দের পদ্ম পাতা।
নাকি-
- আমি নতজানু হবো উল্টা দিকে ঘুরে?
- আমি তোমার মাংসল গোঁফে রাফব পাতলা ঠোঁট ?
- আমি নিজেকে চালান দেই টেবিলের নীচে?
- আমি কান দুটো ঘষি তুমার দু পায়ের কব্জায়?
- আমি হাত দুটি রাখি তুমার পিছনে তাল দিতে?
প্রিয় সম্পাদক প্রেমিক প্রবর-
কবি হবো, দাম চুকাতে হয়, চুকাবো
আমি জানি
-তোমার কাছে থাকে মিস্টি ভেসেলিনের ডিব্বা
-তোমার কাছে থাকে বেদেশি শিসির পানি
-তোমার কাছে থাকে পিচ্ছিল পাতলা পোশাক
-তোমার কাছে থাকে স্পর্শকাতর পালকের পুচ্ছ
-তোমার কাছে থাকে জল ভর্তি মাদুর
-তোমার কাছে থাকে ইংলিশ সফ্ট মিউজিক।
প্রিয়া সম্পাদক, কঠিন পুরুষ-
ক্ষমতার সাথে তোমার ডান হাত বাম হাত
মহাকরনে বিচরণ করো রাজা মহারাজার মতো।
তাইতো মুগ্ধ-
-আমি তোমার চেলীকাঠ বাহুতে সুয়ে
-আমি তোমার চোখের তজল্লিতে জলে পুড়ে
-আমি তোমার মিসাইল সদৃশ প্রজনন দণ্ড দেখে
-আমি তোমার প্রকাণ্ড একশিরা বির্যের তলি দেখে।
প্রিয় সম্পাদক, আপনার হাত অনেক লম্বা-
বলতে পারেন জান কবজ কারি এঞ্জেলের হাত
আবার হাতে হলুদ মাখানো, সাংবাদিকতা পেশা, বুদ্ধি বৃত্তি
আপনার সম্মুখে-
--আমার কচি বুক মেয়েদের চাইতে আরো বেশি নরম
--আমার গোলাপী রন্দ্র রেশমি চুলের ফাঁকে কম্পমান
--আমার উরুদ্বয় উৎস মুলে জলে ভিজে ঘেমে উটে
--আমার বালক কবিতার শরীর কেমন মুছড় দিয়ে উঠে।
--আমার কান্না পায় তোমার ভয়ঙ্কর অনুপ্রবেশের আয়োজন দেখে।
প্রিয় সম্পাদক, নারীর প্রতি কামানা রোহিত বলে
আপনি বালক দের নিয়ে ‘ওয়াকাজের’ মেলা বসান
তাদের কে বসিয়ে কোলে ঘুড়ি উড়ান মদন ভষ্মের নামে-
প্রিয়তম বালকেরা কোলে কুলকুল হাসে খিলখিল করে নয়
প্রিয়তম বালকেরা একমাত্র গোলাপি গুহার চুড়ি ভাঙ্গে সতিত্ব নয়
প্রিয়তম বালকেরা মরণ চীৎকার দেয় শীৎকার নয়
প্রিয়তম বালকেরা ম্রিয়মাণ হয় , নেতিয়ে পড়ার তৃপ্তি নয়
প্রিয়তম বালকেরা কাউকে কিচ্ছু বলে না এর মানে ভুলে যাওয়া নায়।
আমি জানি আজ আমাকে নাচতে হবে নটাদের মতো
আমি জানি আজ থকে আপনি আমার কতৃত্বের অংশিদার
আমি জানি আজ আমাকে টেবিলে চেয়ারে চকিতে মাটিতে শুতে হবে।
আমি জানি আজ থেকে আপনি আমার সম্পাদক কবিতার নন
আমি জানি আজ আমাকে নিবেদন করতে হবে স্বর্গের আরাম
আমি জানি আজ থেকে আপনার ব্রড শিটে আমার শিটও ছাপা হবে।
প্রিয় সম্পাদক হে প্রেমিক প্রবর
আমার শরীরের খবর নিয়ে নিতে হয় না
যেহেতু আমি চন্দ্র মাসের সাথে বাঁধা নই
তবে চুড়ি খুলার মত ভয়ঙ্কর এক বিপদ আমার আছে
অল্প বয়সে হবে অম্বল- অরিস – ‘ভাউল’ বিচ্যুতি
-তাই প্রবেশের আগে প্রেমিকের মতো প্রবেশ করুন
-তাই প্রবেশের সময় হাতের অঙ্গুলে তোলে ধরুন আমার কমর
-তাই প্রবেশের আগে আমার মুখতে গুজে দেন মায়ার রুমাল
-তাই প্রবেশের আগে নুজ্জ করে আপার পেছন আপনার দিকে নিন
-তাই প্রবেশের আগে ভেসেলিন দিয়ে খেয়ে নিন আমার গোলাপী গুহ্য।
হে সম্পাদক সাহেবক-
আপনিও বে-দিল আলুর আসামি রাজনীতির নেতাদের মতো।
আগামীদিনের নেতাদের অনুগত রাখার আদিম কৌশল, এটাই
আপনিও আপনার মতো অনাগত আতেলকে কব্জা করলেন, এভাবেই
আর ফাও স্ফুর্তিটা লুটলেন। নির্ভাবনায় , চামড়ার সাথে চামড়া ।
অতএব-
যখন তোমার কমর নাগর দোলায় উঠে আমাকে মনে রেখ
যখন তোমার গরম জল আমাকে ভেজায় আমাকে মনে রখ
যখন তোমার নোখ গুলো রক্তাত করে আমাকে মনে রেখ
যখন তোমার নিষ্টুর পিড়ন মৃত্যময় হয় আমাকে মনে রেখ
যখন তোমার সকল পরাজয়ের আক্রুস নামে আমাকে মনে রেখ
যখন তোমার জীবন কে তুচ্ছ মনে হয় আমাকে মনে রেখ
যখন তোমার অবসাধের নগ্নেদেহ নেতিয়য় পড়ে আমাকে মনে রেখ।
প্রিয়তম, এই রোগ গ্রিকদের ছিল,আরবেও ছিল
এই রোগে মানব সভ্যতা কোথা থেকে শিখেছিল
এই রোগের উদাহারন কেন প্রতিবেশি জীবনের মাঝে নেই
এই রোগের জন্য মানুষ কি কবেল পৃথিবীর সেরা
এই রোগ কিতাবেও আছে আবার জিরাফেও আছে
তাই আপনার বিরুদ্ধে মামাল করছি স্থগিত।
প্রিয় সম্পাদক ঘুমিয়ে পড়লেন নাকি?
আমি আজ থেকে তোমার আমুদে বালকের দলে
আমি আজ থেকে তোমার কাছে ‘ঘেটু পুত্র কবিতা বালক’।
প্রিয় সম্পাদক, ও সম্পাদক একটা একটা কাতর অনুরোধ মাত্র
আমার শরীর তোমার নোখে ও চাকুর ছায়া জিম্মা রেখে
তুমি কসম খেয়ে বল-
আর কনোদিন তুমি আমার কবিতা গুলি চোরি করবে না
আর কনোদিন তুমি আমার কবিতা তোমার নামে ছাপবেনা
আর কনোদিন তুমি আমার প্রিয় শব্দ গুলো হাতিয়ে নেবেনা
আর কনোদিন তুমি আমার কবিতার খাতা দেখতে চাইবে না
আর কনোদিন তুমি আমার প্রেমিকার নামে ইয়ার্কি করবে না।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।