প্রাচীন পাত্রি-২
- ইকবাল হোসেন বাল্মীকি - ধাতব নিদ্রায় কনাধারী ধুলির বাগান

প্রেমিকের আরেক নাম
দস্যু তখন, কবিদের
প্রত্যাখাত হতে হয় প্রায়
স্বয়ংবর সভা থাকে।

বসুন্দরা সব মাত্রায়
বীরভোগ্যা অনুশীলনে দক্ষ
পাতা সন্ধানী চক্ষু
আমিষ অভিযানে রক্তলাল।

যদিও ছিল সাম্যের ছায়া
আঁধার আসছিল ডেকে
মহল্লা প্রধান ক্রমশ হচ্ছিলেন
সর্বোত্তমার হকদার।

ক্ষমতা ও সুন্দরী
প্রবাহিত স্রোতের দুই বাহু
ঝাপটের ধরে কবিতার গলা
এগিয়ে চলে
‘গিলগামেশে’র বীজয় কাহিনী ।

ক্লোরোফর্ম আবিস্কার হয়নি
তাই পাহড়ে ছিল সড়ক
‘কিউনিফর্মে’ লিখতাম প্রেমপত্র
আগুনের কলম দিয়ে
পর্বতের কাগজে------।

আবারও সেই পাথর
কিছুটা তামায় সজ্জিত বলে
তাম্রপলীয় কাগজের উপর
ছেনী গাইতির ছন্দ
স্ফুলিঙ্গ প্রেমের
দেবী ইশতার নির্মাণ চলে।

জয় পরাজয়ের
এমন রক্ত প্রত্যুষে
মার্দুকের মাটি এবং
ড্রাগনের রক্ত লেখা
চিঠি আসে-

যুদ্ধারা বর্শার ফলায়
গাঁথিয়াছে অগণিত নারী
সুন্দরীরা দল বেঁধে আসে
দেখতে কবিদের প্লাবন সমাধি।

আমি সেই তাম্রপলীর কবি
সিংহের আসরীয় খাঁচায় বসে
লিখি সু্মেরী কন্যা দের
উরু এবং বক্ষের বন্দনা।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।