শৈশবকে ফিরিয়ে দাও কেউ
- রবিউল ইসলাম রাতুল
সতত বিলাস ন্যায়ে কাটেছিল রোজ,
জননীর শাড়ি ধারে মুছেছিলাম ঘাম,
উল্লাসে ছিল তব ছিলোনা কোনো বোঝ,
মাতৃকার কাছে ঘ্যানঘ্যানানি ছিল দু'টাকা দাম।
হোঁচট খেয়ে থুবড়ে পরে,কেঁদে ছিলাম ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে,
জননীর ভয়ে বিছানায় ছিলাম ঘুমের ভান ধরে।
সকালের ভাত ছিল মায়ের হাতেই
দুপুরেটা কেন বাকি থাকে?
রাতে খাবারটা বাবা-মায়ের সাথেই;
সাথে ছিল দুষ্টুমি ফাঁকে ফাঁকে!
জেদের বসে খেয়েছি কত শত বকা আর কত শত যে মার,
গোসা ছিলাম একবেলা তো পেয়েছি মাতৃ ভালবাসার উপহার।
ছিলনা তখন সময় ব্যায়ী নামিদামি কোনো ফোন
তব ছিল সবে মিলে,হর্ষে বনে বাঁধারে ঘোরা,
গ্লানি সব মুছতে হতাম দিঘির বুকে বরণ
ছিলাম সেথায় লাল হওয়া পর্যন্ত চক্ষুজোড়া।
পিছে ঘুরে দেখ,লাঠি এনেছে কে?তাই এখন তুই পালা,
নিত্য হতো এমনই কান্ড,তাই কি বন্ধ হয়েছে কি খেলা?
পাঠশালায় যেতাম সব ছেলে মেয়েরা
হতো কত শত হাসি আর বিদ্রুপী কথা,
বেথ দিয়ে হস্ত করতো লাল শিক্ষকেরা
ঠান্ডা পানি দিয়েও যেত না সে ব্যথা!
এই শৈশব কে বলতে গেলে কভু শেষ হবে না তা,
রঙিন শৈশব ছিল সবারই,যেথায় হবে না আর ফেরা।
শৈশবের মস্তিষ্কের চিন্তা তরঙ্গে ছিল না কোন বাড়তি টান,
প্রকৃতিতে কেন যে রয়েছে বয়স বৃদ্ধি হওয়ার এই বিধান?
ধীরে ধীরে বাড়ালো বয়স,বিলিনের পথে সব খুশি,
আমার শৈশবকে ফিরিয়ে দাও কেউ!
কারণ আমি আমার শৈশবকে ভালবাসি!
© Robiul Islam Ratul
৩০-০১-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।