কাব্য-কণা...(১-১০)
- কাজী ফাতেমা ছবি
পানসে করে দিয়ো না রঙবাহারী দিনগুলো-অথবা রঙের আধিক্য বাড়িয়ো না-চলো মাঝামাঝি সুখে হই আচ্ছন্ন, নয় বেশি নয় কম, খুব চাকচিক্যের জীবন টিকে আর কয়দিন বলো!
২।
ভিতর বাড়িতে জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি- ঠোঁটের ফাঁকে সহসা লাভা গলে পড়ে, আমি ভষ্ম হয়ে যাই কথার আগুনে। কিছু বরফ বুকে নিয়ে তুমি হিমালয় হতে পারতে!
৩।
সবুজের বুকে উর্ধ্বমুখী শুয়ে কখনো আকাশে তাকিয়ে মুগ্ধ হয়েছিলে? নাকি রোদ্দুরের তেজ চোখ তোমার সয়-নি। তুমি জানতে আমি রোদ্দুর, হুম তবু চোখ মেরেছিলে? আমি তখন মেঘ হয়ে যাই!
৪।
চল, নীলের গায়ে লেপ্টে থাকা ভোরের রক্ত আভায় চোখ বন্ধ করে স্বপ্ন উড়াই, নীল ছুঁয়ে আসুক স্বপ্ন! দিনভর চষে বেড়াক স্বাধীনতায়, যখন আঁধার নেমে আসবে ক্লান্ত হয়ে স্বপ্নগুলো আমাদের ঘুম চোখে এসে বসুক, আমরা কাটিয়ে দিব নিশ্চিন্তে একটি স্বপময় রাত।
৫।
স্বপ্ন তোমার আকাশ ছোঁয়া, হাত বাড়ালে পারো না ছুঁতে, এমন স্বপ্ন কেনোইবা দেখতে যাও, আমায় দেখো, ছুঁয়ে দাও চোখ-স্বপ্ন পাবে খুঁজে এখানেই-এবার বুকের বামে হাত রেখে বলো ভালবাসি।
৬।
দুঃখ পাখি, ছুঁয়ে দিলে ব্যথার নীল পালক-ধবধবে সাদা কইতর হয়ে ওড়ে এসে ছুঁয়ে দাও মুছে দাও অনন্ত ব্যথা। আকাশ আজ মেঘমুক্ত, এসো-হারিয়ো না দিশা-অপেক্ষায়!
৭।
প্রভাতের লালিমায় চোখ রাখোনি, ঘুমে বেঘোর।বৃষ্টিস্নাত রাত শেষে একটি রৌদ্রজ্জ্বল সকাল আহা কি পরিচ্ছন্ন! দিনের শুরুটা মুগ্ধতা দিয়ে করতে পারতে?খানিকটা সময় এখনো বাকি, উঠো! আমি তোমায় ভোরের স্পর্শ দিলাম।
৮।
আল্পনা এঁকে যাই মনের চার কিনারে তোমার প্রেমের রঙ ঢেলে। মন সেজে আছে তাই রঙধনু রঙে- এই ছুঁয়ো-না লেপ্টে যাবে ভালবাসা, আমি পারব না আর প্রেম আঁকতে!
৯।
তুমি শ্রাবণ রাতে ঘাস হয়ে যাও,আমি হব মেঘাকাশের তারা,তুমি তাকিয়ে বৃষ্টির অপেক্ষায় আর আমি ঝুপ করে খসে পড়ব তোমার সবুজাভ স্নিগ্ধ বুকে।
১০।
মানুষের কান্না আমার সহ্য হয় না। চোখের কোণে নিরবে অশ্রুগুলো জমা হয়ে গলে পড়ে সহসা। আমি প্রবোধের ভাষা জানি না, কেবল কষ্ট পেতে জানি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ২:২৭
২৭-০২-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।