মায়ার অবকাশ
- রবিউল ইসলাম রাতুল

আমার টুটে যাওয়া রঙ্গিন পীরিতি অতীত ভেবে কষ্ট পায়,
হৃদ আমারে বলে,"এই প্রকৃষ্ট বসন্তের রূপক,সহজে কি ভুলা যায়?"
মিছি মিছি কারণের আদলে,তুচ্ছ ভুলরাও কি বড় বড় অন্যায়?
হাসি মাখা ছিল উষ্ঠ যুগল আপনের,এখন যেন মৃদু হলেও অসহায়!

আমি কোনো কিছুর ডোর করিনি,শুধু ইচ্ছের উপর করে ভর,
দিবাস্বপ্ন যে হাতের মোয়া,বুঝেছি তা,যখন ছিল অন্তিম প্রহর।

আক্ষেপ ছিল স্বয়ের, তুবও একটিবার করা দিদারের,
কল্প যজ্ঞে ভাসা যে ভুল,তাতে সময়ের হয় হেরফের।

ভ্রান্তির মোহের গুঞ্জন শুনে,দৌড় দিয়েছিলাম মোহে ভাসতে,
সেই ভ্রান্তির পাল আমায় এখনো শিক্ষা দিচ্ছে,মিথ্যেভাবে হাসতে।

উপন্যাসের স্বাদ নিতে গিয়ে,স্বাদ মিটে কি অনুগল্পে?
আমি আবেগের নদে ডুবছি,বিবেক চরের খোঁজে অল্পে অল্পে!

ধুলোর মতো ভ্রমের মাঝে জীবনটা আমার চলছে উড়ে এলোমেলো,
বাস্তবতার রূপে বৃষ্টির বারিধারা এসে,ধুলোকে ডাবায় দিয়ে গেল।

চক্ষু থাকতে অন্ধ হয়ে আধারের আভাসে হাতছানি,
আধার থেকে সত্যের দৃপ্ত আবার লিখে দিলো আরেক কাহিনী।

অন্তরের ক্লেশ আত্মগোপন,বানোয়াট শ্লেষ প্রকাশ্যে,
মায়ায় আটকানো আত্মকে,সময় দিতে চাই অবকাশে।


২১-০৩-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।