ঘাটে ঘাটে পাগল
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট

অস্থির মনের আশ হবে যে বনবাস দেশ ছাড়ি ,
সর্বস্ব ত্যাগী নিরুদ্দেশে অনুরাগী ছাড়ি ঘরবাড়ি ।
পথিক সাজি পথ মাড়ি দেহ বাজি দূর দিগন্তরে ,
হাজার পথ হাঁটি ফুরোয় না মাটি বিতৃষ্ণা অন্তরে ।
কতকাল গেলো বন নাহি এলো, এলো জলরাশি,
আসে না কেউ ভাসে অযুত ঢেউ সাজি সর্বগ্রাসী ।
দিশেহারা স্রোতস্বিনী সান্ত্বনা বিনি প্রেমের অভাব ,
ফুলেফুঁসে ছুটে কদম কুসুম কুটে যেন দুরন্ত স্বভাব ।
যতদূর যাই ঘাট নাহি পাই যে ঘাটে তরণী ভীরে ,
যে ঘাটে যাই দেখিতে পাই পাগলের উম্মাদন তীরে ।
এক ঘাটে হেরি পাগলের পায়ে বেড়ী বস্ত্রহীন হয়ে ,
মুখে যাহা আসে বলে যায় বেফাঁসে ভীতু নয় ভয়ে ।
আরেক ঘাটে যাই সেথা দেখিতে পাই জঙ্গলিশানে ,
নর্তক সাজি পুচ্ছ বাজি নিজ ইজ্জত নিজেই টানে ।
ফের যাই অন্য ঘাটে শুধু লগ্ন কাটে পাগল দর্শনে ,
সেথাতেও পাগল করে বকবক অনর্গল উম্মাদনে ।
যাত্রা গেলো থমকে উঠি চমকে চাহি পেছন ফিরি ,
একদল পাগল বাজায়ে বগল নাচে আমাকে ঘিরি ।
মুখের ভাষা যেন জঙ্গলি তামাশা যেন উলঙ্গ সুধী ,
সব যেন দ্বীন বিরোধী মানবতা বিরোধী ধর্ম বিরোধী ।
যতদূর পারে বুলি বোল ছাড়ে বেজায় খুশীর চলন ,
সহিতে না পেরে ঊর্ধ্বাকাশে ফিরে করি আত্মহনন ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026