রাক্ষুসী রাত্রি
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
একদিন রাত্রির সনে কথা হয়েছিল বেশ ...,
বুকে ছিল তার ঘোরান্ধ আর মনের মধ্যে বিদ্বেষ ।
বাতায়নে শিক ধরে হিমসান্ধ্য হতে ভোর অবধি ,
হাজারো দর্শনে হাজারো কথনে পেয়েছি তথ্যাদি ।
কত শতবার বিনয় করেছি পবন-যবনিকা রুধি,
মিটেনা তার সুধা যৌবন-ক্ষুধা সাজে সে ভণ্ডসুধী ।
একদিকে আনে শ্রী জোনাকি অন্যদিকে শিয়াল ,
একদিকে সে জ্যোতিদূতি অন্যদিকে ভাঙে দেয়াল ।
একদিকে সে জীবন প্রবাহে সুরের লহরী বাজায়,
অন্যদিকে সে জীবন কাড়িতে আঁধারে ধরা সাজায় ।
একদিকে সে জ্যোৎস্না আনে চাঁদের হাত-পা ধরে ,
মধ্য রাতে জীবন কাড়িতে চাঁদকে সে বিদায় করে ।
এতো লুকোচুরি এতো কারচুপি দেখে ক্লান্ত ডাহুক ,
বেদনার সুর হয়না তার দূর মুছে গেছে তার সুখ ।
দিকে দিকে যেমন অজ্ঞান পার্টি আপন উদর তরে ,
আপনার তরে জীবন গড়িতে সবেরে অজ্ঞান করে ।
অনুরূপ সে রাত্রি স্নায়ুটারে করে নিস্তেজ আড়াল ,
নির্জনে সে উদর পুরিতে ডাকে শিয়াল বুনোবিড়াল ।
অম্বরের তারা চাহিয়া দেখে মেঘ আনি তারে ঢাকে ,
মনের হরষে হৃদয় সরসে ভোজে সে নদীর বাঁকে ।
শত বেদনায় তরুলতা কাঁদে নিস্তেজে ঝরে পাতা ,
ঊষার আগমনে বিধুর ঘনে, ধরে যেন তার মাথা ।
বিহানবেলায় খাঁ খাঁ পেটে যখনই ডেকে ওঠে কাক ,
দ্রুত গতিতে চড়িয়া রথীতে পালাতে খুঁজে সে ফাঁক ।।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।