লাগে যেন সব বিপরীত
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
কেহ কেহ বোবা হয়ে জন্মায় হয়তো বিধির ধিক্কারে ,
কেহ কেহ বোবা হয়ে রহে পরিস্থিতির স্বীকারে ।
কেহ কেহ অন্ধ হয়ে জন্মায় হয়তোবা লেখা ভালে ,
কেহ কেহ অন্ধ হয়ে যায় সমাজের নিকৃষ্ট হালচালে ।
কেহ কেহ ভাগ্যলিপি অনুসারে বধির হয়ে জন্মায় ,
কেহ কেহ বধির হয়ে যায় সমাজের কালো থাবায় ।
বোবা বা অন্ধ বা বধির হয়ে জন্মানো অজানা অন্তঃবাত ,
বোবা বা অন্ধ বা বধির হয়ে থাকা একান্য অভিসম্পাত ।
যার পরোতে পরোতে কষ্ট আর বেদনার নীল স্রোত ,
জেনে শুনে দেখে বুঝেও রহিত সেই বলা দৃশ্যমান শ্রূত ।
সহজে বললেও দেখেনা কেহ বুক ভাঙা ক্ষত বিক্ষতরূপ,
যেথা অবিরাম জ্বলে তিলে তিলে তুষের আগুণ আর ধূপ ।
কবর হয় সেথা শত জ্বলন্ত প্রদীপের শত ভারে চাপামাটি ,
শুকে যায় শান্তিমাখা সত্ত্বের স্তর ধুয়ে যায় সুখদুধের বাটি ।
সবকিছু এই সমাজের চিত্র সমাজের দান প্রতিদান ,
সুখের পরে সুখ গাঁথে যারা ভণ্ড চক্রবাজ মুচকি শয়তান ।
তিলে তিলে ধুঁকে ধুঁকে মরে শুধু কিছু সরল সতেজ প্রাণ,
যার অযুত আকুতি নিযুত প্রবন্ধ রাখেনা কেহ সন্ধান ।
মরিতে হয় শেষে বিষজ্বালা বুকে নিয়ে শত আর্তনাদে ,
শকুনের শোভাযাত্রা খবরের হেডলাইনে হেরি প্রভাতে ।
শতক গাঢ়সবুজের রঙ'টা আজ শকুনের পাঘাতে ধূসর ,
পুরো সৌরজগতটা যেন আজি সরল সঠিকের দোসর ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।