কাছিমের জীবন চরিত
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
মনের মতো সুন্দরী পাইলে কাছিমে করিত বিয়ে ,
সুন্দরীর তরে রোজই ফিরে গাঁয়ের মেঠোপথ দিয়ে ।
শত সুন্দরী তাহার পাশ দিয়ে হাঁটিয়া চলেছে ঘরে ,
সুন্দরী তাহার সুন্দর লাগেনা নজর নাহি তার পড়ে ।
সকাল গড়িয়া বিকাল যায় যায় কৃষাণ ছাড়িয়া মাঠ ,
গৃহিণীর চাহনি মিটাইতে তাহারা চলিছে গাঁয়ের হাট ।
গোধূলি নামিলে রাখালেরা সব ঘরে ফিরে গরু নিয়ে ,
প্রকৃতিকে তাহারা মাতিয়া তোলে বাঁশরীর সুর দিয়ে ।
সুন্দরী যত বাহিরে ছিল, ঘরে ফিরিছে আবীরের সাথে ,
কাছিম তবু ফিরেনা ঘরে সুন্দরী খোঁজে আঁধার রাতে ।
এমনই করিয়া দিবস রজনী বৎসর ব্যাপি খুঁজে চলে ,
সুন্দরী মিলেনা কাছিমের নয়নে, চলে জীবন বিফলে ।
শত সুন্দরী ঘর ছাড়িল, সংসার গড়িল আপন মনে ,
সে সংসারে জন্ম লভিল অপরূপ সন্তান জনে জনে ।
হীরের টুকরো সন্তান যবে কাছিমের ধারেকাছে আসে ,
ভুল ভাঙিল অবেলায় আসি অশ্রুতে নয়ন তার ভাসে ।
সুন্দর পুরুষ নব যৌবনে অহংকার চাপিয়াছিল ঘাড়ে ,
সে অহংকারে নয়নে আসেনি সুন্দরী বলে যে কারে ।
দেমাগের তরে সব হারাইয়া অবেলায় আসিল ফিরে ,
এমন লগ্নে আসিল ফিরে ঘুণ ধরিয়াছে পুরাণ নীড়ে ।
প্রকৃতির পানে চাহিয়া সে কাঁদে অপরূপ শ্যামল দেখি ,
সকলি রহিয়াছে অবিকল সুন্দর, অন্ধ করিয়াছিল মেকী ।
অবেলায় আসি মেকীর সনে জোর গলায় করে আড়ি ,
কিবা করনীয় তার এহেন লগ্নে পায়ে পায়ে খায় বাড়ি ।
সময় থাকিতে ভাবিতে হয় যে, সময় ফুরোলে নয় ,
নাহি ভাবিয়া বসিয়া থাকিলে আসিবে তো পরাজয় ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।