কবর খুঁড়ি
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
ঘনিয়া আসে রাত্রি বাড়ে শিয়ালের হাঁক ডাক ,
জুজুবুড়ি ঘরে বসি ভাবিয়া ভাবিয়া সে অবাক ।
জ্বলে নিভে লক্ষ জোনাক আলো, কাটেনা অমা ,
পৃথিবী আঁধার অভিশাপ হতে পায়না যে ক্ষমা ।
কেন এই আঁধারের ঘনঘটা কার'বা অভিশাপ ?
কারে দোষী সাব্যস্ত করি যদি নিজে হই খারাপ ।
আমি এক বনলতা হয়নি দেখা সুরুজের আলো ,
কালোর সনে বসত করিয়া অন্তর হয়েছে কালো ।
খামাখা দোষী আমি কালোরে নিজ শ্যামল তলে ,
আপনার শ্যামল বিকশিতে পৃথিবী সবুজে জ্বলে ।
শ্যামলের কথা বেমালুম ভুলে সাজি কীট খাদক ,
খুলে পড়ে শরীর হতে একে একে সব কূর্চ-পালক ।
রাখিনি খেয়াল কখন নিজে হয়ে গেছি গুণ-ছাড়া ,
শ্বাপদের বেশে উঠেছি বেড়ে নিজেকে করিয়া সারা ।
তুমি আমি সবই আমি ... যত আমি আছে ভবে ,
শালীনতাকে লাথি মেরে অশালীনকে ধরেছি সবে ।
ভদ্রতার বুকে কিল মেরে অভদ্রতাকে ধরেছি জড়ে ,
সত্যকে তাড়িয়ে মিথ্যার লেলিহানে রয়েছি পড়ে ।
আদর কদর সব দূরে ঠেলি আঘাতকে ভালবেসে ,
পায়ের নখের থাবায় জীবন হানী শিয়ালের বেশে ।
তাই তো ধরা আজ শিয়ালে শিয়ালপুরী ...
দিবস রজনী যেথা সেথা যাই লাশের কবর খুঁড়ি ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।