স্বার্থের কারসাজী
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
কোন এক কালে শুনেছিলুম সত্যের ভাত নাই ,
সত্যকে লালন করে মুখে নাকি পড়ে কৃষ্ণছাই ।
সাধু হলে নাকি যুগে যুগে থাকিতে হয় অনাহারে ,
শত বঞ্চনা লাঞ্চনা আর কটাক্ষ শুনিতে হয় তারে ।
এতদিন বিদ্যাপীঠে যাহা করেছি বিদ্যার্জন পাঠে ,
সকল যেন অথৈ জলে ভেসে গেল শ্মশানের ঘাটে ।
ভাবি একিলা বসে জ্ঞানীগুণী যারা একি শিক্ষা দিল ?
যে শিক্ষার বিনে ভবের খামার হতে অন্ন উঠিয়া নিল ।
বসে আছি বাগিচায় গোলাপ তলে বড় বিষণ্ণ মনে ,
রূপবতী যৌবনা গোলাপ এক ধরা পড়ে নয়নকোণে ।
জীবনের রূপ রসের সুবাস ছড়ায় পবনের অণুগায়ে ,
সুবাস তার ভেসে যায় মেদিনীর চৌপ্রান্তে বায়ে বায়ে ।
দিবাশেষে দেখি হায় একি শিহরণ জাগা দৃশ্য ,
ক্রমান্বয়ে হয়ে যায় সে প্রকৃতির সাথে অদৃশ্য ।
কন্টক তার টিকে রহে তেজে দীপ্তে ভরা যৌবনে ,
আমি যেন হয়ে গেলুম সেই আদিবাসী কণ্টক বনে ।
ভাঙামনে উঠে আসি সেই বাগ হতে হেরি পরিহাস ,
একি হেরি সমীরে বইছে তাহার সুগন্ধি মাখা সুবাস ।
আসিবার কালে পেয়েছিনু কণ্টকঘাত এখনো রক্ত ঝরে ,
সুবাসিত সমীরে সেই ঘাত ভুলি হরষে হৃদয়টা ভরে ।
আপনারে শুধাই মদালসে কি জবাব দিবো তারে আজি ?
স্বার্থের তরে মেদিনী তলে দেখি যে হাজারো কারসাজী ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।