সতেরো কবিতা একসাথে
- মাহমুদুল মান্নান তারিফ

সতেরো কবিতা একসাথে

০১. বক্তার কথায় মন গলে না
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

যাদের কথায় আমজনতা পেতো দ্বীনের আলো,
তারা তো আজ নিমজ্জিত ছড়ায় নিরেট কালো।
সুবক্তারা গেছেন চলে,
পুণ্য কথা গেছেন বলে,
রবকে বলি তাঁদের গোরে অতি রাহমাত ঢালো।

বর্তমানে কতেক আছেন ভালো আলেম ধরায়,
মাদ্রাসা আর খানেকাতে তাঁদের আলো ছড়ায়।
ওয়াজ করেন না গিয়ে মাঠে,
মনোযোগী কিতাব পাঠে,
পছন্দ না ফেতনা করার দেন মনোযোগ পড়ায়।

এই যে যাঁরা করতেন যদি দ্বীন-ইসলামের সভা,
প্রকাশ পেতো আমজনতায় নৈতিকতার প্রভা।
তর্কযুদ্ধ ভাল্লাগেনা,
মিষ্টি কিংবা ঝাল লাগে না,
একে অন্যের মন্দ গেয়ে শ্রোতা করছেন বোবা।

বক্তার কথায় মন গলে না বক্তা করছেন গীবত,
ওয়াজের আগে দেন তো বলে অফুরন্ত ছিফত।
অনেক ছিফত পোস্টারেতে,
যান কী ওয়াজে কোস্টারেতে?
যান তো হেলিকপ্টারেতে ওয়াজ করেন দ্বিমত।
রচনা; ২৫ আগস্ট ২০২৩

০২. নবী কামলিওয়ালা
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

নাম মুহাম্মাদ উম্মাতের ফুল, প্রিয় গলের মালা
আঁধার ধরায় এলেন রাসূল নবী কামলিওয়ালা।

তাঁর মিলাদে আমরা খুশি, ভালোবাসি তাঁকে
নবীর মিলাদ শুনলে কেন তোমরার উঠে জ্বালা?

এলেন যেদিন খোদার হাবিব দূর হয়েছে আঁধার
রাহমাতুল্লিল আলামীনকে পাঠান আল্লা' তা'লা।

ফেরেশ্তারা দরূদ পড়েন স্বয়ং আল্লা' তা'লা
তাঁরই আগমনে হলো ত্রিভুবন উজালা।

চারিদিকে নবীর দুশমন, নবী আসায় কাঁদলো
নবীর উপর পড়লো দরূদ সব প্রাণী গাছপালা।
রচনা; ০৩ অক্টোবর ২০২৩

০৩. মরুর ফুল
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

মরুর বুকে এলেন যেদিন ফুটলো মরুর ফুল,
এসো এসো গাই তাঁরই গান মুহাম্মাদ রাসূল।
তিনি নবীদেরই মূল
লোকে শোধরালেন সব ভুল।।

আঁধার যুগে মিথ্যা ভরা সত্যের আলো নাই,
তিনি আসায় মক্কা শহর সত্যের আলো পাই।
এলো এলো খুশির দিন
প্রচার করেন সত্য দ্বীন।

ফুল বাগানে ফুল ফুটে না আঁধার ভরা রাত,
তিনি আসায় ফুল ফুটেছে- দ্বীনের সুপ্রভাত।
জ্বলে জ্বলে দ্বীনের নূর
হলো হলো মিথ্যা দূর।

মানুষে মানুষে ছিলো, ঝগড়া-হানাহানি,
এ সময়ে তিনি এসে দূর করেছেন গ্লানি।
দুরুদ দুরুদ পড়ো তাঁর
দুরুদ পড়ো মুস্তাফার।

মরুর বুকে এলেন যেদিন ফুটলো মরুর ফুল,
এসো এসো গাই তাঁরই গান মুহাম্মাদ রাসূল।
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

০৪. কালেমার গুণ
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

অন্ধকার যুগে তিনি- এলেন ধরায়
সত্যসহকারে ভবে- নিয়ে ধর্ম তত্ত্ব,
মানবতার শত্রুর- তীক্ষ্ণ তলোয়ার
সত্য জয়ী মহানবী- বিনাশী অসত্য।

মুহাম্মাদ মুহাম্মাদ- মুহাম্মাদ নবী
মহামানব এলেন- আঁধারে প্রদীপ,
শুভাগমনেই হলো- মিথ্যার বিনাশ
দ্যুতি সয়লাব ছড়ে- বিদেশ-বদ্বীপ।

দ্বীন-ধর্ম পূর্ণ হলো- সুপ্রয়াসে তাঁর
মানুষে সুসচেনতা- কালেমার যুদ্ধ,
রবের শ্রেষ্ঠত্ব ধ্বনি- দেশান্তর জুড়ে
স্রষ্টায় নাস্তিক্যবাদী- হয়েছে সুরূদ্ধ।

মাক্কায় জন্ম সার্থক- জগত দূতের
আল্লা'র হাবিব তিনি- দয়ার আধার,
মরুই দ্বীনের ধ্বজা- পুণ্য হাতে তাঁর
মুক্তির স্লোগান মুখে- সমাপ্তি বাধার।

এলো ফিরে মনুষ্যত্ব- স্রষ্টার জমিনে
একত্ববাদ স্রষ্টাতে- শোনালেন যিনি,
ধর্মের বিজয় হলো- কালেমার গুণে
তাঁর গান সবে গায়- মহানবী তিনি।
রচনা; ২৮/০৯/২৩

০৫. শাহ সলিম (রঃ)
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

সিংচাপইড়ে মাজার শরিফ
দেওয়ান পীরের মুকাম,
মন বলেছে এই আমাকে
দোআ করো দু'খান।

এই মুকামে হাজার লোকের
যাত্রা প্রতিদিন,
জলসা চলে বছর বছর
জ্ঞানীর গতি চিন,

ধন্য করে সিংচাপইড়কে
শাহ সলিমের নামে,
আর তো পাশের মুকামবাড়ি
আছে তাঁরই দামে।

শাহজালালের সফরসঙ্গী
তিনি ছিলেন পীর,
ছাতক থানার সিংচাপইড়ে
গড়েন তিনি নীড়।

দেওয়ান বাদশা সলিম তিনি
আল্লা'ওয়ালা সাধক,
মাজার তাঁরই দেখতে আসুন
সুদূর হতে ছাতক।
রচনা; ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

০৬. শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

মনেপড়ে ভোরের আভায় পিতার কাছে
নিয়ে যেতাম জোয়াল,
নদীজলে জাল ফেলিয়ে পিতা আমার
নিয়ে আসতেন বোয়াল।

আমার খুবই মনেপড়ে লাল গাভীটার
দুধ দোহনের স্মৃতি,
এই জমিনে মা হারিয়ে সব হারালাম
মাতাপিতার প্রীতি।

মনেপড়ে খেলার কথা মার্বেল খেলা
রাস্তাঘাটের মোড়ে,
বন্ধুগণের সাথে আমার আড্ডা হতো
বিকাল এবং ভোরে।

আমার খুবই মনেপড়ে সিংচাপইড়ের
মাদ্রাসারই প্রাঙ্গন,
আমরা যারা পড়ার সাথী বন্ধুর মাঝে
ছিলো না তো ভাঙ্গন।

সিরাজগঞ্জে বাজারেতে সবাই মিলে
দিতাম সখের আড্ডা,
পড়া নিয়ে প্রতিযোগী সব পরীক্ষায়
লড়াই হতো হাড্ডা।

মনেপড়ে শৈশব এবং কৈশোরের সব
মায়াভরা কথা,
স্নেহমায়া কম ছিলো না বন্ধুরা তো
প্রাণের প্রিয় যথা।

আমার খুবই মনেপড়ে অনেক মিলে
ধরতাম মৎস ছিপে,
কাউয়াবিলে, পুকুরেতে কি'বা খালে
নয়তো কোনো দ্বীপে।
রচনা; ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

০৭. সোনার জীবন
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

কোথা' গেল সোনার জীবন হারিয়ে,
দিলাম নাতো আমি তাকে তাড়িয়ে।

কোথা' আছে বন্ধু রিয়াজ-জয়নাল,
জীবন থেকে সব হারিয়ে পয়মাল।

খালেদ এবং আলাউদ্দিন, নজমুল,
বন্ধু আমার সবাই ছিলো সৎফুল।

কয়ছর এবং আজাদ, কাহার ভাইরে,
তোমরার মতো ভালো বন্ধু নাইরে।

আরো কত্তো বন্ধু আছে বুকের মাঝ,
কথা হলো সবার সাথে সুখের আজ।
রচনা;০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

০৮. শিক্ষা-দীক্ষা
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

নিঃস্বের ক্লান্তিতে মনে ব্যথা ভরপুর,
বিত্তের অর্থতে বলে ধনী গড়্ পুর।।
আফসোস! ভ্রান্তিরে অসভ্য শান্তে,
বিভীষিকা! সভ্যরা এমনটি জান্তে?

পর্বত শির ঘেষা, অসভ্যে উচ্ছ্বাস!
হিংসের শিং-খাড়া অন্যায় উদ্ভাস!
হিমালয় সমব্যথা সংসারে নিঃস্বের,
স্বার্থকে বড় ভাবো তারুণ্য বিশ্বের!

বীরত্ব প্রকাশিত স্বশাসিত রাজ্যে!
পেটপুরে অমানুষ খায় ধন ভাজ্যে!
উপদেশ কাব্যতে নিবে সে তা দীক্ষা!
বর্জ্যের অলিতে সে নিয়েছিল শিক্ষা।
রচনা; ২০/১২/২০০১

০৯. রাসূল আমার ভালোবাসা
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

রাসূল আমার ভালোবাসা
হৃদয়েরই আপনজন,
বেঁচে আছি হৃদয় নিয়ে
আপন নিয়ে আজীবন।

সুখে আছি সুখে অনেক
বক্ষ তাঁরই দিকে ঝুঁক,
আমার আপন মাদিনাতে
প্রেম খুঁজেছে আমার বুক!

মন যে আমার পাক মাদিনা
বুলাও নবী শিরে হাত,
প্রিয়নবীর দিদার পেতে
রব সকাশে মুনাজাত।

লক্ষ নবী হন আবির্ভাব
সেদিকে নয় আমার মন,
আমার নবীর জন্মদিনে
আমি সাজাই ফুল রতন।

শান্তি যে পাই শূন্য মনে
দরূদে দেয় সান্ত্বনা,
নবীর দরূদ যতোই পড়ি
হৃদয় আমার ক্লান্ত না।

নূরে আলো নবুওয়াতের
নিরেট তিমির বিশ্বময়,
নবীর প্রতি নেই মুহাব্বাত
এমন লোকই নিঃস্ব হয়।

অধম আমি উম্মাত তোমার
অচেনা একজন তা'রিফ,
রোজহাশরে মুস্তাফা গো
হবেন তো আমার আরিফ!

দেখবো তোমায় নয়ন ভরে
করলাম যাঁকে আজ স্বজন,
নূর মুহাম্মাদ কামলিওয়ালা
আমার হৃদয়ের আপন।
রচনা; ২৫/০৬/২০০২

১০. শরৎ ফুলের ছড়া
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

শরৎ এলে ফুল-শেফালি হাসতে থাকে বাগে,
শেফালিদের উচ্চস্বরে শিউলিরা রাত জাগে।
শেফালিদের কর্ম-কাণ্ডে শিউলিরা নয় ভালো,
দেয় অভিযোগ মামার কাছে অদ্য গতকালও।

মধ্য আশ্বিন তাদের কাছে গগনশিরীষ এসে,
শোনে তাদের দুখের কথা ওঠেন হেসে হেসে।
শেফালিরা অবাক হয়ে হাসার সওয়াল করে,
অবাক হবার নেইতো কিছু হাসুক তারা ঘরে!

তাদের মামার এ সুরাহা মানতে চায় না তারা,
পান্থপাদপ আর কামিনী দেয় দরজায় নাড়া।
একটু পরেই ছাতিম এলো তারই সাথে কাশ,
জোট বেঁধে সব দিয়ে গেল শেফালিদের বাঁশ।

শেফালিরা আর হাসে না হাসার বদলে কাঁদে,
মিনজিরিরা বলল তখন কাঁদছ না তো সাধে?
হিমঝুরিরা, মিনজিরিদের এমন কথায় হাসে,
কলিয়েন্ড্রা বলল কেউ কী কান্না ভালোবাসে?

ছাতিম শোনে বলল ঠিকই বলছ সঠিক কথা,
কাঁদে কেউতো তখন জানি মনের দুঃখে যথা।
ফুল বলেইতো হাসতে হবে ফুলের ধর্মই হাসা,
বাকী সবাই হেসে উঠে, হাসতে হাসতে ঠাসা।
রচনা; ২৪ আগস্ট ২০২১

১১. সত্যকথা
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

বলবো আমি সত্যকথা
মিথ্যাকথা বলবো না,
সত্যপথে চলবো আমি
মিথ্যাপথে চলবো না।

ভুলের ডরে ময়দানে না
করতে জানি নসিহত,
জিহ্বা কাটার সন্দে' করি
পরকালে মসিবত!

ঈমান জানি পাক্কা আছে
তবুও দীল নড়বড়ে,
কুরান যবে পড়ি আমি
দীলখানা থরথর করে।

বক্তব্য দেন বক্তা মানুষ
নামে লাগান আল্লামা,
কাব্যবাদী বলি তাঁরে
ঘুষের ঘাটের পাল নামা!

সুন্না' সুন্না' মুখেই থাকে
সুন্না' খালি হৃদয় ঘর,
সুন্না' মানেন ক'জনে ভাই
বলি আগে সুন্না' গড়্!

পাঁচওয়াক্ত নামাজ ভুল পড়ে না
মালের ফরজ যাকাত নাই,
নামাজ জানি ফরজ ঠিকই
যাকাত নামের ফরজ পাই?
২৩ আগস্ট ২০২৩

১২. ছিটকে যাবো না
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

এ সিলসিলার রশি থেকে ছিটকে যাবো না,
প্রাণের প্রিয় মুর্শিদ আমার শামসুল উলামা।

ফুলতলীকে ভালোবেসে গাই যে তাঁরই গান,
ছিলো তাঁরই সারাজীবন হক্ব পথে আহবান।
তাঁরই জন্য শিখতে পারলাম বিশুদ্ধ কালাম,
হাজার সালাম লও হে মুর্শিদ সহস্র সালাম।

সিলেটে যাঁর জন্ম ধন্য হলো বিশ্ববাসী,
ইসলামের এক সূর্য তিনি তাঁরই জন্যে হাসি।
যেদিন তাঁরই ওফাত হলো কাঁদলো বিশ্বধরা,
তখন থেকে আমি আছি অবস্থায় মনমরা।

অনেক স্মৃতি বুকে নিয়ে আমি যে গো চলি,
আমার বুকে শুধুশুধু প্রাণপ্রিয় ফুলতলী।
ফুলতলীতে গেলে আমি হই যে শোকে কাতর,
তাঁর ভাবনায় হয়ে গেলো আমারই মন পাথর।
রচনা; ০৯ জুলাই ২০১৪

১৩. নিমচারা তো নিমচায় হয়,
মাহমুদুল মান্নান তারিফ
উৎসর্গ ; কোনো এক মানবতার শত্রুকে

বাঁশের ঝোপের আড়ালে দীপ্তি জ্বলে!
শিকারী মাছের বসবাস গভীর জলে!
জ্বলা শরীর প্রশমিত হয় বরফে।
কিছু পেতে হয় তরফে।

আরে মিয়া! আগডুম বাগডুম যত্তসব?
কথায় কথা বাড়ে, তাইনা! তত্তোসব?
ধোঁকার চর্চায় বোকা হয়ে কাতরাই,
স্বল্প বারিতে দু'হাত দিয়ে সাঁতরাই!

উপদেশের আত্মাও লোভে পাপিষ্ঠ?
বেপরোয়া? ধরা খেলে হ্যাঁ পৃষ্ঠ।
মসির আঘাতে রক্তহীন প্রাণ,
প্রতিশোধ নিতে করে আনচান?

উঁচু পর্বতে তোলে দিই ধাক্কা?
নিঃশেষ হয়ে যাক তারই দু'চাক্কা?
নিমচারা তো নিমচায় হয়,
লোভের ধন খেতে পিছনেই রয়।
রচন; ০৮ আগস্ট ২০২৩


১৪. বয়কট
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

লাগামছাড়া বক্তা বলেন
সাহাবিদের সেরা তিনি,
বল্টু বলেন বক্তা কেমন
আমি তাকে নিজে চিনি।

বই পড়েন না পড়তে পারেন
আরবিটুকুর মূল ইবারাত?
আবোলতাবোল বলে কামান
গড়ে তোলেন পুল-ইমারাত।

আমল বেশি বলতে পারেন
নাচ-গানে তো দক্ষতা বেশ!
মুমিন হলে আপনি করেন
বয়কট বয়কট তার সমাবেশ।
রচনা; ২৯ জুলাই ২০২৩

১৫. মাতৃভূমি
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ-ই আমার জন্মভূমি,
দেশকে আমার মায়া লাগে কেমন বলো তুমি?
হাজার পাখি উড়ে বেড়ায় নীলাকাশের নীচে,
বনের পাখি বনেই থাকে একটুও নয় মিছে।

পদ্মা, মেঘনা, যমুনা আর সুরমা আছে প্যাঁচে,
আরো অনেক নদী আছে এদেশেতেই বেঁচে।
বঙ্গ নামের সাগর আছে সৈকত আছে হেসে,
পৃথ্বীর মাঝে হাসছে এদেশ পূর্ণ সবুজ কেশে।

সুন্দর নামের বনটি আছে নানান পশু থাকে,
সূর্য ওঠে আলো ছড়ায় বাঁশ বাগানের ফাঁকে।
দেশটা জুড়ে গেরাম আছে কত্তো শহর তাতে,
মা, ঘরেরই দুয়ার খোলেন প্রতিদিন প্রভাতে।

এদেশ আমার মাতৃভূমি আমার বাবার বাড়ি,
কেনো দেবো বিলেত পাড়ি মাতৃভূমি ছাড়ি?
২৩ জুলাই ২০২৩

১৬. মানলি না আইন কুরআনি
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

নিসাব আছে সম্পদে তোর
তবুও না দিলি কুরবানি,
মানলি না তুই রবের হুকুম
মানলি না আইন কুরআনি।

জবাব রে তুই রোজ হাশরে
কেমনে দিবি আল্লা'কে,
ধন দিয়ে কি ওজন করবে
মিযান- দাঁড়িপাল্লাকে?

তুই দাঁড়াবি তোরই পিতার
সামনে গিয়ে লজ্জাতে!
বলবি কি তুই ইব্রাহিমকে
এমন কৃপণ বজ্জাতে!

দেখলি না তুই মুহাম্মাদে
ইব্রাহীমী প্রেম বিভোর!
মুসলিম হয়ে তুই মুনাফেক
হৃদ কারুণের এমনই তোর!

খোদার রাহে জান দিলি না
প্রাণ দিয়েছেন ইসমাইল,
কোথা' গিয়ে তুই পালাবি
ফুঁক দিলে রে ইসরাফিল।

দেখ্ না চেয়ে পাকছে দাড়ি
হচ্ছে দেহের চামড়া ক্ষীণ,
টের কী দেয় না তোর মরণের
মানব রে তুই অবার্চীন।
রচনা; ১৯ জুলাই ২০২১


১৭. বুক ভরে যায় বুক
মাহমুদুল মান্নান তারিফ

বিলের জলে শাপলা দোলে
ফুল জাতীয় ফুল,
শাপলা ফুলে ঘ্রাণ ছড়ায় না
বললে হবে ভুল।

এমন অনেক আলেম আছেন
মিষ্ট যাঁদের মুখ,
সুবাস ছড়ায় তাঁদের কথায়
বুক ভরে যায় বুক।
(সংক্ষেপিত) রচনা; ১২ জুলাই ২০২৩

মাহমুদুল মান্নান তারিফ
সহকারী অধ্যাপক
মোবাইল: 01715357517


২৯-০৮-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

০৬-০৯-২০২৪ ২১:৩৯ মিঃ

আসসালামু আলাইকুম,
প্রিয় পাঠক, আমার লেখাগুলোতে কোনোধরণের ভুল হলে কমেন্ট করে জানালে খুশি হবো।