ভূতের তাড়না
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
যদি দেহ'টাকে একবার দেহবন্দী করতে পারতুম ,
ভূতের নজর হতে ট্রিলিয়ন মাইল দূরে রাখতুম ।
আজকাল ভূতগুলির অত্যাচারে বেঁচে থাকা দায় ,
তারাই জানে অত্যাচার করে কি সুখ তারা পায় ।
ভোজনের বেলায় আলো নিভি ,
নিদ্রার সময় দেয় আলো জ্বলি ...
উধাও করে মোর ভাতের থালা ,
দিবা রাত্রি চলছে এমনই জ্বালা ।
মাঝে মাঝে এমন ঝড় তুলছে যেন তীব্র সাইক্লোন ,
মনের সনে চলছে মোর এক অশান্তির আন্দোলন ।
ধূলিমাখা পথ কাদায় ভরায় পিছলায়ে যাই যে পড়ি,
প্রাণ'টা লয়ে কোন রকমে বাঁচি বিধাতার নাম স্মরি ।
বাঁচিয়া থাকি পাইনা বাঁচার সাধ ,
মিটে যায় মোর বাঁচার আহলাদ ।
হরদম দম আসে যায় হাঁফছাড়ি ,
মরণের স্বাদ কিয়দ বুঝিতে পারি ।
চলিতে গেলে থাকেনা পায়ে বল, ভঙ্গুরে ভাঙি পড়ি ,
রোদ্দুর মাখা দিবালোকে আমি হেরি অমামাখা শর্বরী ।
শিথানে শুইলে পড়ে থাকি আমি বেলকুচির পাথারে ,
প্রান্তর যেন মহাসমুদ্র লাগে পার হই আমি সাঁতারে ।
মায়ের ক্রন্দনে খুব হাসি পাই ,
বাবার বিষণ্ণে গীত গেয়ে যাই ।
সকলের গায়ে মেরে যাই ঢিল ,
দ্বিমত হেরি মারি জোরে কিল ।
হানাহানি পরে বুঝিতে পারি পেয়েছি ভূতের আছাড় ,
সকলের কাছে কারণ অকারণে মানি শেষে আমি হার ।
তাই তব চাহি দেহবন্দী আমি, চাহি আপনার নিরাপদ ,
ভূতের তাড়নে ভূত সেজে রাখিতে পারিনা স্ব'কে বলবৎ ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।