মুখোশ-২
- মোমেন চৌধুরী

এইসব করিতে গিয়ে,
তারা মুখে হাসি লুকাইয়া
খাবার না পেলেও বলে, "খেয়ে এসেছি।"
অসুস্থ হলেও হাস্যরতভাবে বলে, "ভালো আছি।"
শোচনীয় অবস্থায়ও,
অভিনয়ের ভূমিকা পালন করে।
এরা কিছু শিখে না,
এটা বংশ পরম্পরায় চলে আসিতেছে,
যেমন আমি শিখেছি পিতাকে দেখে,
পিতা শিখেছে দাদাকে দেখে।

পুরুষের আবেগ, অনুভূতি নাই,
তাদের চাহিদা নাই,
তাহা সত্ত্বেও অনেকে তাদের সরলতার সুযোগ লয়।
কিন্তু কেউ জানে না,
তাদের দানবীয় শরীরে
একটি কোমল হৃদয়ও থাকে।

ট্রাফিক পুলিশের রোদে পোড়া শরীর
কেউ দেখে না।
যখন পুরুষের কর্তব্য আসে,
তাদের আত্মত্যাগ কাউকে জানায় না।
পুরুষরা একসময় ভয়ংকর অভিনেতা হয়ে উঠে,
এটা তারা নিজেও বুঝে না।
যৌবনে, একদিন তারা অপমানিত হয়,
অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে পতিত হয়।
কিন্তু তবুও তাদের হাসি থাকে,
প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে জানে।

যদি কিছু চাওয়া-পাওয়া না থাকিত,
তবে আমাদের অভিনয় করিতে হতো না।
পুরুষের অভিনয় প্রকৃতপক্ষে ভয়ংকর,
কারণ তারা জানে,
মৃত্যুর সন্নিকটে হাসি রেখে চলে।

সম্পুর্ণ অংশ!


২২-০১-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।