প্রিয় হুজুর এবং আমি -২য় অংশ
- মোমেন চৌধুরী
হুজুর আমার মাথার দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসলেন। যেন আমার সংকোচ বুঝতে পারলেন। তারপর মোলায়েম কণ্ঠে বললে-
হুজুর: "মুমিন, নামাজ আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য উপহার। এটা শুধু একটা কর্তব্য নয়, বরং আমাদের আত্মার প্রশান্তির জন্য এক অনন্য মাধ্যম। নামাজ পড়লে তোমার মন শান্তি পাবে, হৃদয় পবিত্র হবে। তুমি তো কবিতা লেখো, তাই না?"
আমি অবাক হয়ে মুখ তুললাম।
আমি: "হুজুর, আপনি জানলেন কীভাবে?"
হুজুর: "তোমার চোখ বলে দিচ্ছে, তুমি অনুভূতিপ্রবণ, ভাবুক একজন মানুষ। কবিতার মতো নামাজও এক গভীর অনুভূতির বিষয়। কবিতায় যেমন তুমি মনের কথাগুলো প্রকাশ করো, ঠিক তেমনি নামাজের মাধ্যমে তুমি আল্লাহর সঙ্গে কথা বলতে পারো।"
আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। সত্যিই তো! আমি কত সুন্দর সুন্দর কবিতা লিখি, অথচ আমার রবের সঙ্গে কথা বলার এই সুন্দর সুযোগটি আমি কি যথাযথভাবে গ্রহণ করছি?
আমি: "হুজুর, আমি সত্যিই অনুতপ্ত। আমি ঠিকভাবে নামাজ পড়ি না, অথচ কবিতার প্রতি আমার কত ভালোবাসা!"
হুজুর: "তোমার কবিতা যদি মানুষের হৃদয় ছুঁতে পারে, তবে নামাজ তোমার আত্মাকে স্পর্শ করবে। আজ থেকেই প্রতিজ্ঞা করো, কখনো নামাজ ছাড়বে না।"
আমি কিছু বললাম না, শুধু মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মতি জানালাম। মন যেন অন্যরকম প্রশান্তিতে ভরে গেল। আজ বুঝতে পারলাম, নামাজ শুধু একটা দায়িত্ব নয়, বরং আত্মার পরিশুদ্ধির এক অপার সুযোগ।
মসজিদে প্রবেশের সময় আমার মনে শুধু একটাই কথা বাজছিল—
"আমি শুধু মুসলিম নই, আমি একজন মুমিন হতে চাই!"
দ্বিতীয় অংশ -
০৩-০২-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।