অনুকাব্য ১১-১৮
- কাজী ফাতেমা ছবি

১১। আামর শহর আজ ভেসে যাক অঝোর ধারায়। বন্যায় ডুবে যাক-তুমি ডিঙি বেয়ে চলে এসো মনের ঘাটে। আমি আছি অপেক্ষায়-শহর চষবো আজ। যত জরাজীর্ণ সব ধুয়ে দেই চলো।

১২। জলে ভেজার প্রহর আমার-মন জলে থই থই
ও বন্ধু আমায় ছেড়ে-গেলা তুমি কই।
ছাতা মাথায় নিরিবিলি-জলের পথে হাটো
চলে এসো এখানটাতে-কেনোই বা পচা জল ঘাটো।

১৩।
শাপলা ফোটা মতিঝিলে
চলো পা ডুবিয়ে বসি
হেটে হেটে চলো বন্ধু
এই শহরটা আজ চষি।

১৪।
অলিগলি জলের তরে
পথ হারাইয়ো না বন্ধু
আমার জন্য এসো তুমি
পার হয়ে সাত সিন্ধু।

১৫।
নারিকেলে পাতার ফাঁকে শ্রাবণ জলের নৃত্য-আহা যেনো রূপালী নদী আমার শহরটা। তুমি এসে দেখে যেয়ো। আচ্ছা তোমার শহরও কি আজ জলে ডুবে গেছে?

১৬। ভাবছো বুঝি -আমার নীড়ের দখিনপাশেই ইয়া বড় স্বচ্ছ জলের দীঘি? হুম-ভাবনাটা মোটেও অমূলক নয়গো- তুমি একটু চোখ বুলালেই দেখতে পাবে সে জলে শাপলা ফুটে আছে। এসো পা ছুঁয়াই দীঘির জলে।

১৭। বৃষ্টি পড়ছে- এসো বারান্দায়-হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে দেই বৃষ্টির জল। শিহরণের বেলা যায় বয়ে যায়। পারলে দুই কাপ কফি বানিয়ে নিয়ে এসো। তৃপ্তিতে ঠোঁট ছুঁয়াই কফির পেয়ালায়।

১৮। মার্সিডিজে বসে তুমি আর বুঝবে বন্ধু অসহায়দের দু:খ । যারা ফুটপাতে শোয়-খায় -তাদের আবাসন আজ কোথায় শুনি। কে দিবে তাদের মাথা গুজার ঠাঁই। মাঝে মাঝে নেমে পড়-উপভোগ কর কষ্ট। আর ওদের জন্য ভাবো একবার একটুস খানি। হুম


২৩-০২-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।