=শীত ছুঁয়ে আসি চল=
- কাজী ফাতেমা ছবি

এই শহুরে বাবু, যাবে আমার সাথে আমাদের গায়
এই শহুরে বাবু, শিশির ভেজা দূর্বাঘাস লাগাবে ছোঁয়া পায়?
শহরে থেকে থেকে তুমি বাপু-হয়ে যাচ্ছো ঘাড়ত্যাড়া বান্দর-পাথর
আহারে কি সুখ তোমার শহরে-চারিদিকে ছড়ানো ডাস্টবিনের সুগন্ধি আতর!
দেখো চেয়ে দেখো-আহা কি স্নিগ্ধ হেমন্ত পথ-শিশির ভেজা দূর্বাঘাস-মাটি
চারিদিকে চোখ বুলাও, কি মায়াময় কুয়াশার আবরণে ঢাকা, সাজানো পরিপাটি।
আর তোমার শহুরে পথঘাট-রাস্তা ফুটপাত-মুতে থুয়ে রাখে
কি বিভৎস ভদ্রর লোক বাপু-তোমার পাড়ায়,
কত আবর্জনা লুকানো ওদের মন বাকেঁ।
উল্টো পথ ধরে, যাবে আমার সাথে-যাবে আমাদের গায়
যেথায় আছে সবুজ তরুলতা-আর বয়সী বটবৃক্ষের ছায়।
এই তুমি পথিক হও তবে-বসে পড়ো বটবৃক্ষের ছায়ায়
স্নিগ্ধতার এক প্রহর এসে তোমায় আটকানে এক মোহনীয় মায়ায়।
কি সুখ পাও এখানে বুঝি না বাপু-যেথায় পায়ে পায়ে বিপদ, জীবনাবসান
আচ্ছা তোমাদের স্বপ্নগুলো কি থেমে থাকে বুকে-হয় না এর পর্যবসান?
ইটসুড়কির পথ হেঁটে হেঁটে পায়ের জোতা গেলো ক্ষয়ে
আছে কি তবু আলতো মুগ্ধতা মন ছুঁয়ে?
আরে এদিক এসো-দেখে যাও, এখানে কেবল মুগ্ধতা আর মুগ্ধতা, শান্তি
চোখ ফিরিয়ে দেখে যাও, মুছে যাবে মনের সকল ভ্রান্তি।
শান্তির ছায়াতলে কে-না ফিরতে চায় বলো
হুম-বলি জ্বললে বাপু সময় থাকবে জ্বলো।
চলো যাই যন্ত্র শহর পা মাড়িয়ে-খানিকটা শান্তি মন ছুয়েঁ আসুক
কলিজা পুড়া ছাই স্বপ্নগুলো এখানে এই শহরেই ভাসুক।
তুমি আমি-হেমন্তের সকালে ধোঁয়াউড়া চায়ে ঠোঁট ডুবিয়ে....পোহাবো রোদ্দুর
শান্তি সে নেই আমাদের ছেড়ে আজ আর বহুদূর,
কেবল ইচ্ছেগুলো বুকের বামে পুষো না-পিঞ্জিরা দাও খুলে
মনপাখি উড়ুক গায়ের পথে, সকল ক্লান্তি ভুলে।
হাওয়ার ডানায় ভর করে আমরা সীমানা ছাড়াবো
এই শীতের খড়পুড়া আগুনের উষ্ণতা পেতে গায়ের পথেই পা বাড়াবো!
কি রাজি?


২৫-০২-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।