=আমার প্রথম বিদ্যালয়=
- কাজী ফাতেমা ছবি
ঘ্রাণ পাচ্ছি গো ঘ্রান পাচ্ছি, বিদ্যালয়ের পাচ্ছি ঘ্রাণ
এক গাদা বই বগলদাবায় ছুটে যেতে আনচান প্রাণ।
সেন্ডেল পায়ে হেঁটে হেঁটে, ধানের ক্ষেতের আলে আলে
আমরা সবাই যেতাম ছুটে, গল্প কথার তালে তালে।
সিমু পলি সুভাষিনী, মনোয়ারা ও শাহানা
বিদ্যালয় পালাতে চুপে, করতি তোরা শ বাহানা।
তেতুল গাছে ঢিলে ঢিলে, খেতাম তেতুল লবণ সাথে
কত মজা করতাম মিলে, ধরে তোদের হাতে হাতে।
রুমাল চোখে বেঁধে লুকোচুরি, খেলতাম তোদের পুকুর পাড়ে
সুযোগ পেয়ে উঠে বসতাম, মনোয়ারারে তোর ঘাড়ে।
কত শত দুষ্টুমিতে, প্রথম গন্ডি গেলো কেটে
এবেলাতে ভাবলে আহা, কলিজা আমার যায় ফেটে।
বিদ্যালয়ের দিনগুলো সেই, মনে কী আর পড়ে তোদের?
কত স্মৃতি গাঁথা সেথায়, ছিলো সুখের সময় মোদের।
দেখ্ না এসে ঠাঁয় তাকিয়ে, নতুন করে আজ সেজেছে
বিদ্যালয়ের রঙীন দেহ, দেখে মনে সুখ বেজেছে।
পুরান ঘরটা ঐ'যে আছে, অবহেলায় পড়ে সেথায়
যেখানটাতে বসতাম আমরা, দেখলে মরি বুকের ব্যথায়।
ব্রেঞ্চ ছিলো না ক্লাসে মোদের, আসন পেতে বসতাম ধূলায়
দিনগুলো সেই যায় হারিয়ে, মন রেখেছি অতীত চুলায়!
সবুজ মাঠটি আজও আছে, যেথায় খেলতাম টিফিন সময়
দেখ্ না তোরা আজকে এসে, ঠাঁয় দাঁড়িয়ে হয়ে তন্ময়।
মেয়েবেলা সুখের বেলা, যেথায় ছিলো সুখের নুড়ি
শিক্ষক'রা সব অবসরে আজ, আমরা হলাম বুড়োবুড়ি।
কোথায় তোরা আছিস্ বল না, আয় না আবার একসাথে হই
একটি বেলা আমরা সবাই, স্মৃতি গল্পে আয় ব্যস্ত রই।
২৫-০৩-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।