কাঁদিতে পারি না
- কেয়ন ইমরান
একদিন সবকিছু হয়ে যাবে ঠিক-
সেই আশায় পথ চেয়ে মোরা
দেখছি কি স্বপ্ন নিত্য অলীক!
কী জানি জাগবে জীবনে সাহারা!
চাতকের ন্যায় চেয়ে থাকি অপলকে।
হঠাৎ একফোঁটা অমৃত আসবে কী!
জীবনের মোড়ে দাঁড়িয়ে নিরব শোকে
হয়ে মুহ্যমান নেই কিছু বাকি।
অকালে ঝরে পড়া অতৃপ্ত আত্মা
নিরন্তর ছুঁটে চলে নাগালহীন পথে।
হারিয়ে ঐশ্বর্য নিঃষ ক্ষমতাহীন সত্ত্বা,
চড়েছি গন্তব্যহীন আমি অকেজো রথে।
তেজ-তেগ-তাজি সবই খােয়া,
নিষ্ঠুর লোকালয়ে পরেছি খুশির বর্ম।
ভিতরে পুড়ে সৃষ্টি হয়েছি ধোঁয়া,
করেছি গ্রহণ আমি চার্লির ধর্ম।
বৃষ্টিতে হয় মোর অশ্রু বিসর্জন,
চোখে বৃষ্টি গড়ায় দেখে সবাই।
গরমে দেখে ঘর্ম গ্রীষ্মের গর্জন,
আসলে আমি কাঁদিতে পারি নাই।
নিভৃতিতে ভাবি- নিয়ে আমার অপূর্ণতা।
কিছু সুখ হারায় অপরের দিতে-
আমার ভিতরে ছিল না কপটতা।
পুড়ছি কেন তবে রক্তিম অগ্নিতে?
কাঁদিতেপারি না চিৎকার করে,
হৃদয়ে চলে মোর নিরব দহন।
নিশিতে জড় অশ্রুতে স্ন্যান করে,
নিশ্চুপ সে নেই তাই বদন।
দিনে না পারার হতাশা মনে,
রাতে এসে জমা হয় ইপ্সা।
নিদ্রার রাজধানীতে যায় মহানায়ক বনে।
ভ্রম! যবে চৈতন্য পায় সহসা।
ভাবি- চলে যায় বনের গভীরে,
প্রাণ খুলে কেঁদে হই হালকা।
কিন্তু কাঁদিতে পারি না রে,
পুনঃ ভাবি আমি সবার চাকা।
আমি কাঁদলে ওরা গতি হারাবে,
একার তরে নিথর হবে সমগ্র।
আমি চাই ওরা বাঁচুক গর্বে,
মম নিঃষে না হোক উগ্র।
২৪-০৬-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।