উচ্চবিত্ত
- কেয়ন ইমরান
বিশিষ্ট জনের কাহিনী অতীত হলে
ইতিহাসের সৃষ্টি হয়।
নিচু জাতের মানুষের কাহিনী কালক্রমে
গল্পে পরিণত হয়।
দরিদ্র, অসহায়, নিচু জাতের মানুষ
আসলে মানুষই না!
অবহেলা, অনাদর জোটে কপালে অহরহ
জীবনে অসহ্য যন্ত্রণা।
উঁচু তলার মানুষের হীন দৃষ্টি
দরিদ্র ক্ষুদ্র জীব।
পিপীলিকা সম মাড়াইলে পদ তলে
কি হইবে নির্জীব।
মৃত্তিকার বক্ষে পদ নামে না
ধনাঢ্য অহংকারী সে।
সম্বলহীন তাহার নিকট নগন্য প্রাণী
পুড়িতেছে গ্রীষ্ম বাতাসে।
ধনাঢ্য ব্যক্তিরা সমাজের শাসক শ্রেণি
ক্ষমতা তাহাদের কুক্ষিগত।
সর্বদাই ব্যস্ত অসহায়কে করিতে আঘাত
নির্যাতন হয় অবিরত।
বিবেক বন্দী হইয়াছে নকশি শিকায়
মিলাইয়া চলিতেছে সমাজ,
উঁচুতে রহিয়াছে যে উঠিতেছে শিখরে
নামেই বক্ষে ধ্বজ।
অর্থের গরমে বকলম হইল সভাপতি
সময়পতি কলমওয়ালা নাজেহাল,
পিপীলিকা অতিব ক্ষুদ্র হইয়া যাইতেছে
তাহার গৃহে আকাল।
ব্যবধান তৈরি হয় এই ধরাতে
অহংকার-বিদ্বেষ-ঈর্শ্বায়,
উদয়-বিলয় রাখে নাই মনে
জীবন নদী সর্বনাশায়।
বিধাতার লীলা বোঝা খুবই কঠিন
ভাবে নাই মানুষ,
ব্যবধানে কর্তৃত্ব করিতে চাহে একাই
হারাইয়া ফেলিয়া হুঁশ।
ধনী-দরিদ্র শুধুমাত্র ধরাতেই বিদ্যমান
অহংকারও এই ইহকালে,
ইহধামের সম্পদে গর্ব করিলে মূর্খ
কি হইবে পরকালে?
১০-০৭-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।