গ্রাম
- অনিরুদ্ধ রনি
তিতাস নদীর পাশে আমাদেরই গ্রাম
মিলেমিশে করেছি একাত্তরে সংগ্রাম
স্বাধীনতা পেয়েছি মোরা যুদ্ধেই গিয়ে
সকল জাতি মিলে মোরা রক্ত দিয়ে।
এক সাথে খেলা-ধুলা এক সাথে বাস
আপদে বিপদে মোরা থাকি বারমাস
মোদের মাঝেই ধর্ম কর্মে বিদ্বেষ নাই
আমরা দেশের সবে আপন হতে চাই।
মসজিদ মন্দির কেহ গীর্জাতে গিয়ে
যার ধ্যানে সেই বসে, ইবাদতে হিয়ে,
মাঠে-ঘাটে কাজকর্মে মিলে সমজাতি
এক হয়ে কাজ করি নেই কোন ক্ষতি।
মায়ের আঁচল ছায়ায় সকলেই আছে
আলো, বায়ু,পানি পেয়ে জীবন বাঁচে!
বটের ছায়ায় এসে মোরা ক্লান্তে বসি,
লাঙ্গল জোয়াল গরু দিয়ে জমি চাষি।
গাঁয়ের বধু ভাত নিয়ে তে-মাঠে আসে
দুই ধারে কাশ বন, শেফালীরা হাসে!
মরগাং মোরাকঘোণা পাড়া প্রতিবেশী
নাহেরপুর ধুম মিলে সবে কাছে আসি।
গ্রামের চারপাশ ঘিরে আছে কতো বন
হরেক পাখির সোরগোলে উদাসী মন,
ডাহুক মেয়েরা চলে দূরে নদীর বাঁক
রাতে শুনি নদীর তীরে শিয়ালের হাঁক।
বনে বনে ফুল ফোটে মৌমাছি উড়ে
বসন্তে বেবুক হয়ে যাই বনে বনে ঘুরে
বাতাবিলেবু দোলে দক্ষিণা হাওয়ায়,
জুঁইয়ের শাঁখে টুনটুনি কি যে মায়ায়।
বৃন্দাবন পুরের উওরে মৌলভীবাজার
পাশেই তার রয়েছে বড় পীরের মাজার
পশ্চিমে এঁকেবেঁকে চলেছে ঐ সড়ক,
পাঁকা রাস্তা উন্নয়নে বিলুপ্ত হয় নরক।
০৯-০৮-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।