কর্মজীবী
- কেয়ন ইমরান

দিন শেষে সবাই নীড়ে ফিরে
ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে শান্তির আলয়ে
নিরব ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
কর্মহীন হয়ে পড়ে শরীরের অঙ্গ-
প্রতিটা কর্মজীবীই চাই শান্তির বিশ্রাম।
সারাদিন কঠোর পরিশ্রম-পরিবারের সুখ
মিটাতে হবে তাই জীবনের ভুখ।

গ্রীষ্মের কড়া তাপে মাটি উত্তাপ,
খালে-বিলে পানি নেই কাঠ।
বুকের ছাতি ফাটে অতি তৃষ্ণায়।
হাঁপিয়ে ওঠে পশু প্রচন্ড গরমে
তবুও কর্মজীবী কাজে ঘর্মাক্ত শরীরে।
আহারের তরে প্রহর কাটে কষ্টে,
কি আসে যায় জীবন নষ্টে!

শীতে প্রচন্ড ঠান্ডায় শুষ্ক ত্বকে
ছোঁটে কর্মবীর দিব্যি আপন কমস্থলে।
পা ফেটে চৌচির ব্যথা নেই-
কাজের দুলাল খুশি দুমুঠো ভাতে।
কর্মহীন হলে পরে কাটে অনাহারে।
দিবা-নিশি নেই ভেদ কর্মে,
শুধু আঘাতই সয় কর্মজীবীর চর্মে।

বর্ষার তান্ডবে বন্যায় ঘর ডোবে,
বনানী ধ্বংস পশু-পাখির আশ্রয়।
তীর্থের বায়সের ন্যায় চেয়ে থাকে
সকল জাতি পেতে একটি দানা।
রঙিন স্বপ্ন ভেঙ্গে হয় চুরমার।
দুঃখের খড়গ করে মাথায় আঘাত,
জীবনে নেমে আসে অমানিশার রাত।

কর্মজীবী! রোগ-শোক যেন অর্থহীন।
কর্মক্ষেত্রে সুলতান খাঁটি বীর বেশ।
ধূলি মাখে অঙ্গে-শ্রেম দিতে,
শোভাময় করতে জীবন- রণ সাজ।
ঋতুরাজের কলকণ্ঠ হতে মন চাই।
কর্মজীবীরও আশা থাকে আলোকময় ভোর,
পেতে চাই প্রিয়জনের মিষ্টি আদর।


০৩-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026