এক অনন্ত দীপ্তি
- মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

এক অনন্ত দীপ্তি
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*********************************
টোকের এক মুসলিম পরিবারের আলোয় জন্ম নিলেন তিনি,
১৯৩৪ সালের ১লা নভেম্বর, শুভ প্রভাতে ভরে উঠল জীবন।
টোক ইউনিয়নের গুণীজনের মাঝে উজ্জ্বল তার দীপ্তি,
জীবন যাপন করলেন মানবিকতা, সততা ও ভ্রাতৃত্বের পথে।

মরহুম শরীফ মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন নিঃস্বার্থ,
১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত গাজীপুর জেলা পরিষদের সদস্য।
জেলার উন্নয়নের কাজে রাখলেন অপরিসীম ভূমিকা,
এলাকাবাসীর সঙ্গে মিলেমিশে করলেন অগাধ সেবা ও নেতৃত্ব প্রদর্শন।

পেশায় একজন ব্যবসায়ী, চিত্তে উদার, প্রাণে দানশীল,
লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ৩১৫ বি২-এর ডিস্ট্রিক চেয়ারম্যান ছিলেন সক্রিয়।
চক্ষু হাসপাতাল ও ব্লাড ব্যাংকের আজীবন দাতা,
মানুষের কল্যাণে জীবন উজাড় করে দিয়েছিলেন উদার ও অনন্য হৃদয়ে।

১৯৮৭ সালে টোক ইউনিয়নে মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা,
এলাকার মানুষের সঙ্গে ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়,
কলেজটি পেল সরকারি স্বীকৃতি, অনুদান, জাতীয়করণ,
এলাকাবাসীর প্রস্তাবনায় নামকরণ—শরীফ মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ মহাবিদ্যালয়।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছিলেন,
ঢাকার বাসাবো জামে মসজিদ ও এতিমখানা—উদারতার নিদর্শন।
টোক নয়ন বাজার জামে মসজিদ, কলেজ জামে মসজিদ,
শ্রীপুর কলেজ জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা—সবই তার সহায়তার সাক্ষ্য।

স্থানীয় ও বহির্বিশ্বে ছড়িয়েছে তার দানের ছোঁয়া,
মানবতার প্রতি নিষ্ঠা, সত্যিই ছিল অনন্য।
এলাকাবাসীর সঙ্গে মিলেমিশে সব উদ্যোগে তিনি নেতৃত্ব দান,
ধর্ম, শিক্ষা ও সমাজ—সব ক্ষেত্রে রেখেছেন সেবার প্রমাণ।

মৃত্যু বরন করেছেন ৪ঠা জুলাই ২০১০ সালে,
কিন্তু তার কাজ বাঁচে মানুষের মনে চিরস্মৃতির ছায়ায়।
তার কর্ম, দান, প্রতিষ্ঠা—সবই ইতিহাসে লিখিত,
এলাকার মানুষের হৃদয়ে চিরন্তন দীপ্তি হয়ে জ্বলিত।

জন্মেছিল টোকের মাটিতে, জীবন ছড়িয়েছে সবখানে,
মহাবিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা—তার নাম জড়ানো সব পাথানে।
শরীফ মোমতাজ উদ্দিন আহমেদ—এক মহান ব্যক্তি,
টোক ইউনিয়নের মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন চিরন্তন স্মৃতিতে।
-------------------------------------------------------------


১১-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।