বাঁশ আর পাতা
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
তিনি এসেছেন মালয় সাগর পেরিয়ে মালয় ভূমে ,
অন্তরে বিষ রেখে যত দূর পারেন যাবেন চুমে ।
ভালোবাসা দিতে নয়, দিয়ে যাবেন অযুত আশা ,
শিয়ালের অন্তর রেখে ঠিক রাখবেন মুখের ভাষা ।
অসহায় জীর্ণস্থ জননীর নিযুত দশা ধরবেন তুলে ,
আশার ভাষণে রস দিয়ে পরক্ষণেই যাবেন ভুলে ।
আত্মার কথা ছিল না, যা ছিল পা চাটা কৌশলীর,
বয়ানে থমকে যাবেন হেরি ঝাপসা আঁচড় তুলির ।
এও বলবেন জননী ছিল মৃত্যুর দ্বারে জরা কবলে ,
এই আমি সুস্থ করেছি যমযম কূপের অমৃত জলে ।
যত পারেন জোড়া দিয়ে বলে যাবেন মিথ্যার বুলি ,
শ্রবণ করবেন আম-পাতি নয়ন'টা কপালে তুলি ।
সময় শেষ শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু ফুলের তোড়ায় ,
ব্যথা অনুভব করবেন আঙুলের জোড়ায় জোড়ায় ।
বিদায় বেলায় মিষ্টি হাসি আর হাত নাড়ানি পেয়ে ,
উম্মাদপ্রায় যদু বাবুরা শরীরের ঘাম বেয়ে বেয়ে ।
ঘরে ফিরে যাবেন তিনি, বলবেন চোখ ইশারায় ,
আর যাই হোক উম্মাদ করে ছেড়েছি হস্ত নাড়ায় ।
পরবর্তী মঞ্চে ফের সে কৌশল অথবা নব্য কিছু ,
যা করে যাবেন সব তার ভাঁওতাবাজী আর মিছু ।
জননী বাঁশঝাড়ে গুনে গুনে রাখে বাঁশ আর পাতা ,
তেতাল্লিশ বছরেও তাই মিলেনি তার হিসেব-খাতা ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।