জ্যেতিময় যুগ্ন সচিব
- মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

জ্যেতিময় যুগ্ন সচিব
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
***************************************************

জনাব আব্দুস শাহীদ জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৮ সালের ১৪ মে,
কাপাসিয়ার ইউনিয়নের কাপাসিয়া গ্রামে, আলোর ছোঁয়ায় ভরে।

পিতা মৌঃ মহর উদ্দিনের আশীর্বাদে লালিত,
শৈশব কাটলো গ্রামের পথ, নদীর স্রোত, পাখির কূজনে।

শিশুর কণ্ঠে মেললো প্রকৃতির সুর, বাতাসে ভেসে আশা,
গাছের ছায়া, মাটির গন্ধ, সূর্যের রঙ—জীবন হয়ে ভাষা।

১৯৪৬ সালে ইপিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত উত্তীর্ণ হয়ে,
জ্ঞানার্জনের পথে করলেন আত্মবিশ্বাসের সূচনা, মন জ্বলে দীপ্তি তোড়ে।

শিক্ষার ধারা অব্যাহত—
১৯৫৩ সালে কাপাসিয়া হাই স্কুল থেকে মেট্রিক,
১৯৫৫ সালে ইন্টারমিডিয়েটের জয়—জ্ঞান নদীর মতো প্রবাহিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর অর্জন করে,
বুদ্ধি, মনন একত্রিত, ভবিষ্যতের আলোয় দীপ্তি ছড়িয়ে।

১৯৬৪ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদান,
ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু, মানুষের জন্য পথিক হয়ে।

পরবর্তীতে মহকুমা অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক,
পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের উপ-পরিচালক, মেম্বার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডে নিখুঁত ছাপ।

উপ-সচিব শ্রমমন্ত্রণালয়, পরিচালক ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর,
পরিচালক মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন—মানবতার পথে দীপ্তি ছড়িয়ে।

যুগ্ন সচিব স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়—নির্ভীক দায়িত্বে নিঃস্বার্থ আলো,
মানব কল্যাণে ফুটিয়ে তুললেন নীরব সূর্যের ঝিলমিলেশে দীপ্তি।

১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে,
বিশ্ব-জনসংখ্যা বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে দৃষ্টি অমলিন।

১৯৯৫ সালে যুগ্ন সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ,
কর্মজীবনের দীপ্তি রেখে গেলেন ইতিহাসে, মানুষের মাঝে আলো জ্বেলে।

দফতরের দেয়াল নয়, মন শোনে মানুষের ব্যথা,
কলমের ছোঁয়া যেন নদীর স্রোত, বাতাসের লয়, সূর্যের আভা।

প্রকৃতির ছায়া, পাখির গান, ফুলের রঙের ছোঁয়া—
সব মিলিয়ে জীবন হয়ে ওঠে দার্শনিক নীরব প্রজ্ঞার ছোঁয়া।

জনতার পাশে দাঁড়ালেন নিঃস্বার্থ, আলোর দীপ্তি নিয়ে,
অন্ধকার গভীরে ফুটিয়ে তুললেন মানবতার নীরব তরে।

জনাব আব্দুস শাহীদ, জ্যেতিময় যুগ্ন সচিব,
পিতা মৌঃ মহর উদ্দিনের আশীর্বাদে মানবতার পথে দীপ্তি ছড়িয়ে দেন।


১৯-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026