আলোর সন্ধানে
- মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

আলোর সন্ধানে
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************

ডা. শীতাংশু কে. পল—গ্রামে সূর্য ওঠে নীরবতার আলোয়,
নায়ন বাজারের পথ ধরে শিশির ভিজে ওঠে মাটির গন্ধে।
পিতার স্মৃতি—প্রদত্ত কুমার পল—মাটির গন্ধে মিশে আছে,
মাতার কোমল চোখ—তুলশি রাণী পল—স্নেহের নদী বয়ে যায়।

দাদা—ডা. তীর্থবাসী পল—জ্ঞানচর্চার নিঃশ্বাস,
প্রকৃতির বুকের গভীরে খুঁজে নেয় অন্তরীক্ষের গোপন গল্প।

শিক্ষাজীবন:
টোক রেণুন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়—এস.এস.সি. ১৯৮৭—শিশুকালীন শিক্ষার সূচনা,
নেত্রকোণা সরকারি কলেজ—এইচ.এস.সি. ১৯৮৯—হ্রদয় খোলার ছোঁয়া।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়—বিএসসি ১৯৯৩, ভূগোল ও পরিবেশের ছায়ায় বেড়ে ওঠা,
মাস্টার্স ১৯৯৪—পৃথিবীর নকশা আঁকা, জ্ঞান আর প্রেমের সংলাপে ভরা।

থাইল্যান্ড—এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (AIT), ২০০৫—চোখে দিগন্ত, হাতে মানচিত্র,
নরওয়ে—NTNU, ২০০৯—গবেষণার বাতাসে, ফেলোশিপের নীরব খোঁজে।
PhD. ২০১০—AIT, থাইল্যান্ড ও NTNU, নরওয়ে—জ্ঞান অর্জনের উজ্জ্বল দ্যুতি।

সিনিয়র ফেলো ২০১৬—AIT, Regional and Rural Development Planning (RRDP),
নীরব আলোয় নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন দিগন্তের সন্ধান।

প্রফেসর—জ্ঞানদীপক—রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বুকে,
ভূগোল ও পরিবেশের রহস্য উন্মোচন করে,
শিক্ষার্থী, প্রকৃতি ও বিজ্ঞানকে আলিঙ্গন করে।

শুধু পাঠ্যপুস্তকের শব্দ নয়,
শুধু কাগজে লিখিত জ্ঞান নয়,
প্রকৃতি, নদী, পাহাড়ের সঙ্গে সংলাপ,
নীরব আলোয় শেখা, নীরব আলোয় বুঝা।

থাইল্যান্ড, নরওয়ে—বিদেশের বাতাসে,
নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন আলোকধারা।
ফেলোশিপ, রিসার্চ, সারা পৃথিবী জুড়ে জ্ঞান অর্জন,
সবকিছু একত্রে হয়ে ওঠে জীবনের কবিতা।

জীবনানন্দের ভাষায় বলা যায়—
“পৃথিবীর বুক চিরে
জ্ঞান আর প্রেমের বীজ বপন করা হয়,
নীরবতা, বাতাস, নদী আর পাহাড়ের সঙ্গে
সংলাপের মধ্য দিয়ে।”

প্রতিটি অধ্যায়ে উজ্জ্বল আলো, প্রতিটি মুহূর্তে শিক্ষা,
পৃথিবীর নীরব গান শুনে হৃদয় হয়ে ওঠে মুক্ত।
শুধু অধ্যয়ন নয়, জীবনও হয়ে ওঠে কাব্য,
ডা. শীতাংশু কে. পল-এর পথচলা—জ্ঞান ও প্রেমের আভা।
--------------------------------সূত্র অনলাইন।


২৩-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।