বিবেক সদন
- কেয়ন ইমরান
বইয়ের ভাঁজে জ্ঞান আহরণ-
সে তো সীমাবদ্ধ অন্যের লেখা কথন।
তব অন্তর আত্মাকে জাগ্রত কর,
আঁখি মু্দে বিবেক কর সাধন।
চিরায়িত বাণীতে বিশ্বাস নয়-
উপলব্ধি কর অতিব যত্ন নিয়ে।
কিছু শব্দ আর ইতিহাস জানতে-
কি হবে পুস্তকের বাণী পিয়ে?
শরীর বিকল হলে আমরা-
শরণাপন্ন হই ঔষধ জ্ঞানীর সকাশে।
আত্মার বিকলঙ্গতা বুঝি না,
সে তো পীড়া দেয় না দেহ কিংবা ত্বকাংশে।
বিবেকতাবোধ, আত্মার চাহিদা-
জোয়ারের অনুকূলে দৌড়ানো অজানা পথে।
ভাটা আসবে যখন আকুতি মনে
অনুশোচনায়- কেন আরোহন এই রথে!
মানব জীবনের প্রথম কাল-
অবুঝ শিশু- মজিনু খেলায় আমি।
হাঁটি হাঁটি পায়ে পায়ে
চলেছি পবনে দুলে ভূমি থেকে ভূমি।
দ্বিতীয় কাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ,
অর্থ অর্জনের তরে বিবেকতা বর্জন।
দুনিয়াবী শিক্ষা ফলিয়ে মনে-
রিপুর তাড়নে সদা করেছি গর্জন।
তৃতীয় কালে কর্মহীন-
নিরব বসে শুনি আত্মার মর্ম বাণী।
ফুরিয়েছে দিন তাই ভাবি-
রবি কিরণের উষ্ণতা নেই, শশীই রাণী।
আপদ জমা হয় কালরাত্রি-
দানবীয় আত্মা মানবিক হয় তখন।
ছেড়ে যায় সুদিন-
অন্তর কুঠুরির কপাট খোলে যখন।
স্বীয় কাঁধে অন্যের বিপদ-
যদি সর্বময় এমন চিন্তায় রত।
তবেই আত্মা জাগ্রত হয়ে
সুজ্ঞানে মানবের তরে হতাম ব্রত।
অস্তির বল বিদ্যমানে
বিবেক পায় গো লয়।
আত্মার মানবিকতা
অসময়ে সকলের মাঝে সর্বদাই জাগ্রত হয়।
শুধু পাঠ্য জ্ঞান নয়
আধ্যাত্মিক জ্ঞানে আলোকিত কর জীবন।
দৈহিক প্রশান্তি জরুরী নয়
আত্মায় গড় বিবেক সদন।
২৮-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।