ভিকারুণ নেসা নুনের দীপশিখা
- মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

ভিকারুণ নেসা নুনের দীপশিখা
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর
***********************************************

কে এই ভিকারুন নেসা নুন ?
-----------------------------

ভিকারুণ নেসা নুন, জন্মগত নাম ভিক্টোরিয়া, ছিলেন অস্ট্রিয়ান বংশের কন্যা।
বিবাহিত হন পাকিস্তানের ৭ম প্রধানমন্ত্রী ফিরোজ খান নুনের সাথে (১৯৫৭-৫৮)।

ফিরোজ খান নুন পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন ১৯৫০–৫৩, এরপর পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ১৯৫৩–৫৬।
বিবাহের পর ভিক্টোরিয়া ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নাম পরিবর্তন করেন ‘ভিকার-উন-নিসা’।

তিনি স্বামীর রাজনৈতিক যাত্রার সক্রিয় সঙ্গী ছিলেন।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এবং লাহোরে এসে আন্দোলনে যুক্ত হন।

পাঞ্জাবে Civil Disobedience Movement চলাকালীন তিনবার গ্রেফতার হওয়া সত্ত্বেও দমে যাননি।
ব্রিটিশ সমর্থিত খিজরের মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠনে সাহায্য করেন।

স্বামীর মৃত্যুর পরও সমাজসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে সক্রিয় থাকেন।
পূর্ব বাংলার মেয়েদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
মেয়েরা যেন অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজের মতো উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারে,
তার জন্য অশেষ প্রচেষ্টা চালান ভিকারুণ নেসা নুন।
*********************************************************
ভিকারুণ নেসা নুনের দীপশিখা
-------------------------------------

ভিক্টোরিয়া জন্ম অস্ট্রিয়ান, আলোয় ভরা দিশা,
ফিরোজ খানের পাশে জ্বলে নব বিশ্বাসের নিশা।
ইসলাম গ্রহণ করে নাম হলো ভিকার-উন-নিসা,
প্রেম, ত্যাগ ও সংগ্রামের পথে জ্বলে অমলিন মিসা।

স্বামী ফিরোজ খানের রাজনৈতিক যাত্রার অদম্য সঙ্গী,
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে, সাহসী মনীষী।
ইন্ডিয়ার ভাইসর মন্ত্রিসদ থেকে পদত্যাগ করে,
লাহোরে চলে আসেন নবযাত্রার পথে উদ্যমের শিখরে।

পাঞ্জাবে Civil Disobedience Movement চলাকালীন,
গ্রেফতার হয় তিনবার, তবু দমে যাননি কখনো নিঃসন্দেহীন।
ব্রিটিশ সমর্থিত খিজরের মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে,
আন্দোলন সংগঠনে রাখেন শক্তি, সাহস আর প্রজ্ঞার সঙ্গে।

স্বামীর মৃত্যুর পরও সমাজসেবায় নিবেদিত জীবন,
পূর্ব বাংলার মেয়েদের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন বিদ্যালয় বিন।
মেয়েরা যেন অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজের মতো শিক্ষা পায়,
ভিকারুণ নেসা নুনের ত্যাগে আলোকিত হোক প্রতিটি ভোরের ধারা।

গগনে ওঠে দীপশিখা, ভিকারুণের নামে,
প্রতিটি মেধাবী মেয়ে পায় আশীর্বাদের তরে।
শিক্ষা তার হাত ধরে অন্ধকার কাটে দূরে,
সমাজে আলোর জ্যোতি জ্বলে প্রতিটি কূরে।

স্বপ্ন ছুঁয়ে যায় আকাশ, সাহস শিখায় প্রেরণায়,
বন্ধন ভেঙে মেয়েরা চলে স্বাধীনতার মেলায়।
শৃঙ্খলা, ন্যায়বোধ, মানবিকতার মেলবন্ধনে,
ভিকারুণ নেসা নুন হয়ে ওঠেন অনন্ত চেতনায় অনুপ্রেরণে।

বিদ্যায় আলোকিত জীবন, প্রেম ও ত্যাগের ধারা,
প্রতিটি নারী পায় মুক্তির উজ্জ্বল দ্যোতনা।
ইতিহাসে লেখা আছে, নাম তাঁর অমলিন,
শিক্ষার সেবায় উজ্জ্বল, পথ দেখান অচলিন।

সংগ্রাম ও ত্যাগের পথ চলা তাঁর অমলিন,
মেয়েদের জন্য শিক্ষার দীপ জ্বেলে অশেষ প্রেরণার বিন।
পাঞ্জাবের আন্দোলন, ব্রিটিশের শৃঙ্খল ভেঙে,
প্রতিটি কাজেই দেখা যায় সাহসের মেলবন্ধনে।

শৃঙ্খলা, মানবিকতা, ন্যায়বোধে তার দৃষ্টান্ত,
মেয়েরা এগোয় অমলিন আদর্শে প্রেরিত চেতনান্ত।
বিদ্যা ও শিক্ষার দীপ জ্বালিয়ে চলুন আমরা সবাই,
ভিকারুণ নেসা নুনের স্মরণে, অগ্রগতির পথে চলি অবিচলই।

সাহসিকতা, সংগ্রাম আর মানবিকতার আলোয়,
মেয়েরা পায় দিশা, জীবন আলোকিত হোক প্রতিটা কোণে।
স্বপ্ন দেখান দূরের শিক্ষার, উচ্চতর জীবনের পথে,
ভিকারুণ নেসা নুন হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণার চরণে।

সংগ্রামী মনীষী, শিক্ষার দীপশিখা, মানুষের বন্ধু,
ভিকারুণ নেসা নুনের নাম জ্বলে ইতিহাসের অমলিন শূন্যে।
তাই আমরা জ্বালাই শিক্ষার দীপ, তার আদর্শে অনুপ্রাণিত,
ভিকারুণ নেসা নুনের স্মরণে চলি অগ্রগতির পথে অমলিনিত।
-------------------------------- সূত্র অনলাইন


৩০-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026