অত্যাচারীর বিরুদ্ধে
- কেয়ন ইমরান
নাই লাজ-লজ্জা, ভয়-ভীতি-সংকোচ,
ঢেউ খেলে নীলাচল, আমি নীল পঙ্কজ।
দ্বাদশ রবির রাহুগ্রাসী সর্বনাশা ডঙ্কা।
বিধাতার বুকে জাগায় আমি ঘন শঙ্কা।
নিরাশ করে বিধাতার ধরি প্রলয়-ঝান্ডা,
মসির আঘাতে করি আমি সবকিছু ঠাণ্ডা।
বিধাতার মাস্তক পিষে পায়ে দলি অস্তি,
নকীব হয়ে আমি করি শুধু মাস্তি।
শত্রুর খুন লয়ে হলি খেলার খেলোয়াড়,
মেরে আমি সাফ করি মানব রুপী জানোয়ার।
আমার অস্ত্র মসি নয় কোন পিস্তল,
শত্রুর বৈভবের সাগরে ঝড় তুলি উত্তাল।
মুক্ত বিহঙ্গ সম মোরা স্বাধীন নাগরিক,
আজও তবে মাগি কেনো পরদেশে ভিক।
ঠেকে ঠেকে হয়ে গেছি মোরা ঝানুবীর,
ছেদিব মোরা ঐ জগন্নাথের উদ্ধত শির।
মৃত্তিকা চিড়ে মোরা করি চাষ শস্য,
মোদের করে দাশ, লয়ে মোদের শস্য।
হীনতায়-দীনতায় কাটে মোদের দিবস-যামিনী,
যোগায় শক্তি বাহুতে মোদের পল্লী কামিনী।
প্রলয়-বিষাণ বাজিয়ে উড়ায় ঝড়ের নিশান,
জ্বালিয়ে অগ্নিচিতায় পুড়িয়ে ধাতার করবো অবসান।
লালে লাল অগ্নি কার খুনে হলো!
বিধাতার আসন পুড়াই বহ্নিতাপে এবার চলো।
সরল নয় মোরা বাণী মোদের গরল,
কঠিন ধাতার অগ্নিচিতায় পুড়িয়ে করবো তরল।
মনসাদেবী আমার মা আমি তার ছেলে,
বুক ফেড়ে ধাতা, খাব তোর পিলে।
আমি সর্বনাশা শত্রুর ললাটে জ্বালায় ধূপ,
জুলুমকারীর তরে রচি হাজারও মৃত্যু কুপ।
রুদ্রের প্রলয় নৃত্যে করি সব ধ্বংস,
অত্যাচারীর বংশ সাফ করে করি নির্বংশ।
আমার এক হাতে অস্ত্র অন্যতে বর্ম,
অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়ি খুঁজি নাকো ধর্ম।
সকাশে মম মানব বড় চাই অধিকার,
ধর্মের ধ্বজাধারী কর কেন এমন অত্যাচার।
রুখে দাঁড়ায় ওগো আমি অত্যাচারের বিরুদ্ধে,
মম অবরুদ্ধ করে আছে কার সাধ্যে!
মম টগবগে খুন সম রবি অরুণ,
মম তেজোদ্দীপ্ত দেহে কে লাগাবে ঘুণ?
মুছে শত গ্লানি ধরেছি মৃত্যু-বাজি,
হয়েছি সাওয়াড় আমি লয়ে পাগলা তাজি।
কোমরে তেগ্-ঢাল বাঁধা আমি রাজা,
অত্যাচারীর মস্তক ছেদিয়ে এবার দিব সাজা।
২৭-১০-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।