মৎসগন্ধা নারী
- যুবক অনার্য
একদিন চাঁদপ্রহরে তবে এসো;কচুরি ফুলের মালা জড়াবো তোমায়,তুমি স্বপ্ন ভেঙে দিতে তবু এসো
দুঃস্বপ্ন দু’হাতে তুলে। বিলের সংগোপনে ওধারে মাছলাগা নদী, তুমি মৎস্যগন্ধা সুরে ভেসে এসে
সেই জলে জলছবি এঁকো- সে ছবি
যে আমাকে রেখেছে দূরে নিরর্থ দর্শক করে
আমি – তাই হতে পেরে এ জীবনে
যেনো পূর্ণরপ্রাণ ফিরে পাবো- ততোধিক
মাকালচূড়া বুঝি!
গ্রামের মধ্য দিয়ে মৌসুমি ফুল, কাহাদের বাড়ি, সে গন্ধবিলিয়ে দিয়ে আসে; আমি সেই পথ বেয়ে
পেছনে হেঁটে হেঁটে নিজেকে বামন করে রাখি নি কোনোদিন তবু ‘রঙ্গিলা কারো সাথে প্রেম করে নি’-
কি করে বোঝাবো আমিও চাইনি তাহারে ঘুমঘোরে।
হে শঙ্খিনী মৎস্যগন্ধা এক অনির্ণেয় নারী
বাজঝড় প্রতিবার হবে জানি
কেউ তো শ্মশানগামী হবে
তোমার সিথানে রবে ঘুম;
বিলের ওধারে সংগোপনে নদী ও মিন জন্ম যাহাদের আমি তো সেই জল
পেরিয়ে গেছি কোন কালে সেই কতো আগে,
এখনো ভাবছো কেনো ভুলে গিয়ে বার বার শুধুই আমারে!
গণিতে কাঁচা পাঠশালা সেই কথা জানে
২৬-১১-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।