নিষিদ্ধ পল্লী
- কেয়ন ইমরান
সুখানুভূতির ব্যবসায় লিপ্ত হওয়া পাপের।
তবুও মানুষ পেতে চাই কেন?
পূন্যের কাজ করা বড় গৌরবের।
সৎ পথে মানুষ নেই কেন?
নিষিদ্ধ পল্লীর জন্ম হয়েছে ধরাতে।
শখের বশে কেউ কি পণ্য?
সন্ধান করলে তবেই পারবে বুঝতে,
ওরা জীবন সংগ্রামী, নয় নগন্য।
চেতনা বোধ জাগ্রত করো জাতি,
অবহেলা-অনাদরে নয়, সহানুভূতি দেখাও।
ওদের অন্ধকার জীবনে জ্বালাও বাতি,
পূণ্যের পথ দেখাও, মনোভাব বদলাও।
কালো অন্ধকার জীবন নিষিদ্ধ পল্লীর,
কত স্বপ্ন ভাঙ্গার গল্প সেখানে।
হায়, কি নিয়ম এই অবনীর!
সবকিছু হয় ক্ষুধা যন্ত্রণার বানে।
নিষিদ্ধ পল্লী অতিব খারাপ জায়গা।
আমরা যে ভদ্র সমাজের লোক,
লাগাতে চায় না শরীরে দাগা।
তাদের পাশে কেন দাঁড়াব অহেতুক!
মানব মাঝে যৌন ক্ষুধা প্রবল,
এটার জন্য সবকিছু ধ্বংস হয়।
শুরু হয় জীবনের পালা বদল।
হায়, মানব জাতির পূর্ণ অবক্ষয়!
আপনার কাছে ইজ্জতের মূল্য অনেক,
সহজে কেউ দেয় না বিলয়।
দেহের তৃপ্তি যোগাতে গিয়ে ক্ষণেক
কত কচি মনকে করছে লয়।
আমরা দেখি অতিব ঘৃণার চোখে,
ওরা যে নিষিদ্ধ পল্লীর বালা।
আসলে কি ওরা এসেছে শখে?
না ওরা সত্যিই দুর্বল-অবলা?
০৭-১২-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।